মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বর্তমানে ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে দেশে। এখন যুদ্ধ পরিস্থিতি নজরদারিতে রেখে তেলের বিকল্প বাজার খোঁজার ব্যাপারে ভাবা হচ্ছে। বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে, তাতে দাম বাড়ার শঙ্কা নেই। মুজত, বিকল্প বাজার খোঁজা ও দাম বাড়ার আশঙ্কা না থাকার বিষয়টি জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান।
দেশে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেলের (ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল, জেট ফুয়েল) ১৫ থেকে ৬০ দিনের চাহিদা মেটানোর মতো মজুদ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) গুদামগুলোতে থাকে, যা পরিস্থিতি অনুযায়ী কমে বা বাড়ে।
দেশে জ্বালানি তেলের নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে সবশেষ ৭টি জাহাজের এলসি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিপিসি চেয়ারম্যান। তিনি মজুত প্রসঙ্গে আরও বলেন, বর্তমানে ডিজেল ১৪ দিন, অকটেন ২৮ দিন, পেট্রোল ১৫ দিন, ফার্নেস ৯৩ দিন ও জেড ফুয়েল ৫৫ দিনের মজুত রয়েছে। তার মতে, জুন পর্যন্ত দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের কোন সংকট সৃষ্টি হবে না। মূল্যও বাড়ানোর প্রয়োজন পড়বে না।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও আমেরিকার হামলা- পাল্টা হামলার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের ওপর এ সংঘাতের প্রভাব পড়েছে। প্রতিদিনই বাড়ছে দাম, সেই সঙ্গে বাড়ছে সংকটও। এ পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের অবস্থা জানালো বিপিসি।
বিডি২৪অনলাইন/ইএম/এমকে