null
প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে দেশে দ্রুত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হবে। গত ১০ জুলাই নির্বাচন কমিশনের নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামীতে জাতীয় বা স্থানীয় পর্যায়ের কোনো নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হবে না। ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করতে ১০ মাস থেকে এক বছর সময়ের প্রয়োজন হয়।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও ইভিএম বিষয়ে প্রশ্নোত্তরে জবাব দিয়েছেন স্থানীয় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জাতীয় সংসদকে দেওয়া তথ্য থেকে বিষয়টি জানা গেছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়। বিরোধী দল, স্বতন্ত্র ও সরকার দলীয় মিলে তিন সংসদ সদস্য এ সংক্রান্ত প্রশ্ন করেন।
মন্ত্রী সংসদকে জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন। নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে ভোটার তালিকা প্রস্তুত, ভোটের সামগ্রী সংগ্রহ, ধর্মীয় উৎসব, পাবলিক পরীক্ষা, আওহাওয়া, কেন্দ্র চূড়ান্তকরণ ও সংস্কার, নির্বাচনী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে তফসিল ঘোষণা করতে হয়। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রাক-প্রস্তুতি হিসেবে ন্যূনতম ৪৫ দিন সময় প্রয়োজন হয়।
ইভিএম প্রসঙ্গে মন্ত্রী ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে কেনা ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রকল্পে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করছে দুদক।
সংসদকে জানানো হয়, জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২৪ মেয়াদে এক লাখ ৫০ হাজার ইভিএম কেনার জন্য ৩৮২৫.৩৪ কোটি টাকার একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রকল্পটি গত বছরের জুন মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হয়। প্রকল্পের সমাপ্তি প্রতিবেদন (পিসিআর) ১৩ মে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগে (আইএমইডি) পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত তার মূল্যায়ন প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। তবে এ প্রকল্পে বড় ধরনের বেশ কিছু অডিট আপত্তি উত্থাপন করেছে অডিট অধিদপ্তর । এ আপত্তিগুলো বর্তমানে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
সংসদে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালের ১০ জুলাই নির্বাচন কমিশনের ১২৫তম সভা হয়। সেই সভার নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামীতে জাতীয় বা স্থানীয় পর্যায়ের কোনো নির্বাচনে আর ইভিএম ব্যবহার করা হবে না। বর্তমানে এ ইভিএমগুলো বিভিন্ন গোডাউন এবং বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির (বিএমটিএফ) হেফাজতে রয়েছে।
বিডি২৪অনলাইন/এনএন/এমকে