পঞ্চগড়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মো. রাজিউর রহমান রাজ তথ্য অধিকার আইনের কোনো তোয়াক্কা করেন না। ফলে বিধান মেনে আবেদন করার পরও জেলায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের তথ্য পাচ্ছেন না চার স্থানীয় সাংবাদিক। অভিযোগ উঠেছে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়ম ও দুর্নীতি করা হয়েছে বেপরোয়াভাবে।
জানা যায়, উপপরিচালক মো. রাজিউর রহমান অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ায় জেলায় মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষার কিছু মাদ্রাসার কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে। শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্য, ভূয়া মাদ্রাসা ও শিক্ষক দেখিয়ে বেতন-ভাতা, ইমাম প্রশিক্ষণ, ষ্টেশনারী খাত ও বিভিন্ন কেনাকাটার অর্থ আত্মসাত করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেন সাইদুজ্জামান রেজা, বদরুদ্দোজা প্রধান বাঁধন, হারুন অর রশিদসহ স্থানীয় আরো কয়েকজন সংবাদকর্মী। কিন্তু তাদের কোন তথ্য দেওয়া হয়নি এখনো।
সংবাদকর্মী বদরুদ্দোজা প্রধান বাঁধন বলেন, ভুয়া বিল ভাউচারের অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি জানতে তথ্য অধিকার আবেদন ফরমে আবেদন করেছি। কিন্তু আমাকে কোন তথ্য দেওয়া হয়নি।
আর টিভির পঞ্চগড় প্রতিনিধি হারুন অর রশিদ বলেন,৩১ মার্চে আবেদন করেছি, কয়েকবার অফিসেও গিয়ে কোন তথ্য পাইনি। নাগরিক টেলিভিশনের প্রতিনিধি সাইদুজ্জামান রেজা বলেন, এ উপপরিচালক পাশের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে জড়িত। জুলাই আন্দোলনে ঘোর বিরোধীতা করেছে। তার দপ্তরে কিছু তথ্যের জন্য আবেদন করেছি। কিন্তু কোন তথ্য দেয়নি।
অভিযুক্ত
ইসলামিক ফাউন্ডেশন পঞ্চগড়ের উপ পরিচালক মো.
রাজিউর রহমান রাজের মুঠোফোনে একাধিক বার কল করে কোন
সাড়া পাওয়া যায়নি।
বিডি২৪অনলাইন/সি/এমকে