চাহিদা ও সরবরাহে কমেছে ঘাটতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ অগাস্ট ২০২৬


দেশে গত দুই সপ্তাহের চেয়ে চলতি সপ্তাহে গ্যাসের বিদ্যুতের চাহিদা সরবরাহে কমেছে ঘাটতির পরিমাণ । এতে বিদ্যুতের লোডশেডিং কিছুটা কমেছে। তবে শিল্পে উৎপাদন এখনো কাঙ্ক্ষিতভাবে বাড়ানো যায়নি। আর শহরের তুলনায় গ্রামে লোডশেডিং এখনো বেশি চলছে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে সৌদি আরামকোর একটি এলএনজি কার্গো গ্রহণ করতে না পারায় জ্বালানি সরবরাহ কমে যাওয়ার নতুন ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে।

পাওয়ার গ্রিডের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাত ১টায় চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ২৭৬ মেগাওয়াট। বিপরীতে ১৪ হাজার ৪৭৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়। ফলে  লোডশেডিং করতে হয় ৮০২ মেগাওয়াট সোমবার দুপুর ১২টায় ১৪ হাজার ৮১০ মেগাওয়াটের বিপরীতে ১৩ হাজার ৯১৭ মেগাওয়াট সরবরাহ হয়। এতে সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয় ৮৯৩ মেগাওয়াট। গত দুই সপ্তাহে সময়ে  লোডশেডিং ছিল প্রায় হাজার মেগাওয়াট।

ওদিকে পেট্রোবাংলার হিসাবে, রোববার সকাল ৮টার আগের ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ২৪২ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। যদিও সোমবার গ্যাস সরবরাহ এর তুলনায় কমেছে। সোমবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত  গ্যাস সরবরাহ হয়েছে ২২২ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে ১৬১. কোটি ঘনফুট স্থানীয় গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদিত এবং বাকি ৬০. কোটি ঘনফুট এলএনজি থেকে রূপান্তরিত। গত তিন দিনের মধ্যে সোমাবার এলএনজি সরবরাহ কমার কারণে মোট গ্যাস সরবরাহও কমেছে। দেশে দৈনিক  চাহিদা ৪১০ কোটি ঘনফুট। চাহিদার বিপরীতে ৩১০-৩২০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা গেলেও শিল্পসহ বিভিন্ন খাত মোটামুটি চালিয়ে নিতে পারে। কিন্তু এর কম হলেই তীব্র সংকট হয়। গত সপ্তাহে সরবরাহ ২০০ কোটি ঘনফুটের নিচে  নামলেও শনিবারে ২৪৪ কোটি ঘনফুটে উঠে আসে। বর্তমানে দেশে গ্যাস-সংকট রয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, বর্তমান বিদ্যুৎ সংকটের পেছনে রয়েছে গ্যাসের ঘাটতি।  জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে গেলে প্রথম ধাক্কা পড়ে বিদ্যুৎ কন্দ্রগুলোতে। সাম্প্রতিক সংকট তীব্র হয় বৈরী আবহাওয়ার কারণে  মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালগুলোর সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায়।  এতে গ্যাসের ঘাটতি বেড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন আরো কমে যায়। এর প্রভাব রাজধানীতে ঢাকাতেও লোডশেডিং শুরু হয়।

 

বিডি২৪অনলাইন/এনএন/এমকে


মন্তব্য
জেলার খবর