পঞ্চগড়ে
দুটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক
সেন্টারে লিভার পরীক্ষায়
বড় ধরণের গড়মিল পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সিভিল
সার্জনের কাছে অভিযোগ
দিয়েছেন ভুক্তভোগীদের একজন
সাইদুজ্জামান।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, লিভার রোগে আক্রান্ত সাইদুজ্জামান রেজা গত ৯ আগস্ট পঞ্চগড় মকবুলার রহমান ডায়াবেটিক হাসপাতালে যান। সেখানকার টেস্টে লিভারের অবস্থা আশংকাজনক ধরা পরে। এ নিয়ে চিকৎসক তাকে আবারো টেস্টের পরামর্শ দেন। পরামর্শ অনুযায়ী, ওই দিনই সাইদুজ্জামান মেডিকেয়ার ডায়াগনেস্টিক সেন্টারে এ বিষয়ে টেস্টের জন্য যান। সেখানকার রিপোর্টের সঙ্গে প্রথমবারের রিপোর্টের গলমিল ধরা পড়ে। এ অবস্থায় লিভারের সঠিক অবস্থা জানতে আবারও টেস্টের পরামর্শ দেন চিকিৎসক। এবার তিনি পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে তৃতীয়বারের মতো টেস্টের জন্য যান। সেখানকার রিপোর্টের সঙ্গে আগের দুটি রিপোর্টের কোনো মিল পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মেডিকেয়ার সেন্টারের পরিচালক সৈয়দা নাসরিন মিনু মোবাইলে সাংবাদিক পরিচয়ে শুনে উত্তেজিত হয়ে যায়। এ সময় বিচারপতি মনসুর এবং স্থানীয় সাংসদের আত্নীয় বলে নিজেকে পরিচয় দেন তিনি। বলেন, তাদের দেওয়া রিপোর্টে কোন ভূল নেই।
জানা
যায়, মকবুলার রহমান ডায়াবেটিক সমিতি এবং মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে টেকনোলজিস্ট হিসেবে কর্মরত রয়েছেন
আবুল বাশার নামের জনৈক এক লোক। একই টেকনোলজিস্ট কিভাবে একাধিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন এবং দুই ধরনের রিপোর্ট দেন সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ
বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন সিভিল সার্জন ডা.মিজানুর রহমান।
বিডি২৪অনলাইন/সি/এমকে