ভুয়া বিএড কাগজে অতিরিক্ত বিল উত্তোলন

সম্রাট হোসাইন, পঞ্চগড়
১৯ মে ২০২৬


পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় বিএড এর কাগজ জাল জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতিমাসে অতিরিক্ত হাজার ১৭০ টাকা অতিরিক্ত বিল উত্তোলন করছেন উপজেলার শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মো.মামুনুর রশিদ। এভাবে ১৩ বছরে সরকারের প্রায় লাখ টাকা তছরুপ করেছেন তিনি।

মামুনুর রশিদ তেঁতুলিয়া উপজেলার রওশনপুর এলাকার ইয়াকুব আলী মমতাজ বেগমের ছেলে।  জানা যায়, মামুনুর রশিদ শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক পদে ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বরে যোগদান করেন। এরপর  এমপিওভুক্ত হন ২০১২ সালের নভেম্বরে। শুরু থেকেই তিনি বিএড স্কেলে সংযুক্ত হন।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, তার বিএড সনদটি আরেক শিক্ষকের। নাম একই হওয়ায় সনদটি জাল জালিয়াতি করে বিএড স্কেল নেন তিনি। প্রকৃতপক্ষে ওই সনদটি দিনাজপুরের বিরামপুর চকপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং বিরামপুর আমানুল্লাহ বিদ্যানিকেতনের সহকারি শিক্ষক মো. মামুনুর রশিদের। তার পিতার নাম মো.ইউনুস আলী, মায়ের নাম আফিলা বেগম।

এই শিক্ষক ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে শিক্ষা মন্ত্রণায়লে ইএফটির মাধ্যমে বেতনের আবেদন করলে বিএড সনদ জেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে পিতা-মাতার নাম স্থায়ী ঠিকানা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট সব নথি সংযুক্ত করে পুনরায় আবেদন করতে বলা হয়েছে। পরবর্তীতে পুনরায় আবেদনের পর ২০২৫ সালের এপ্রিল বিএড সনদ ভুয়া বলে আবেদন বাতিল করে বিএড পাসের মুল প্রবেশপত্র,মুল প্রশংসাপত্র, ভর্তির রসিদ এবং মুল সার্টিফিকেট নিয়ে ডিডিকে দেখানোর কথা বলে শিক্ষা অধিদপ্তর।

এ নিয়ে অভিযুক্ত সহকারি শিক্ষক মামুনুর রশীদ বলেন, আমি দারুল ইহসান পঞ্চগড় ক্যাম্পাস থেকে ২০০৯ সালে বিএড সনদ অর্জন করেছি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএড সনদটা আমার না। দারুল ইহসানের সনদ দিয়েই বিএড স্কেলে বেতন নিচ্ছি।

 

প্রধান শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, আমি অবসরে যাব, মিথ্যা বলবো না। সহকারী শিক্ষক মামুনুর রশীদ প্রথমে দারুল ইহসানের বিএড সনদ দিয়ে এমপিও ভুক্তির আবেদন করলে সেটা বাতিল হয়। পরবর্তীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএড সনদ দিয়ে এমপিও ভুক্তিসহ বিএড স্কেল হয়। তবে সেই সনদ সঠিক কিনা জানা নাই।

 

 

বিডি২৪অনলাইন/সি/এমকে


মন্তব্য
জেলার খবর