রাজশাহী মহানগরীর মতিহার এলাকায় পদ্মা নদীর তীরবর্তী শহররক্ষা বাঁধের ব্লকের পাশে অবৈধভাবে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে একটি চক্র ধীরে ধীরে নদীপাড় দখলের চেষ্টা করছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এসব স্থানে স্থায়ী স্থাপনা গড়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
রোববার (১৭ মে) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, কয়েকটি স্থানে ইটের দেয়াল তুলে ঘেরার কাজ শুরু হয়েছে। তালাইমারী বালুঘাট সংলগ্ন ও কাজলা ফুলতলা এলাকার পূর্ব পাশে সরকারি জায়গায় ইটের প্রাচীর তুলে স্থাপনা নির্মাণের কাজ চলছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দ্রুত এসব অবৈধ নির্মাণ উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, নদীর ধারে ব্লক দিয়ে নির্মিত উন্মুক্ত সরকারি জায়গা দখল করে দোকান, ঝুপড়ি কিংবা গরুর গোয়াল নির্মাণের উদ্দেশ্যে প্রাচীর তোলা হচ্ছে। এতে একদিকে নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ ও সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে ধীরে ধীরে তীরবর্তী সরকারি জমি দখলের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি শহররক্ষা বাঁধের নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, পদ্মা নদীর তীরবর্তী এ এলাকাগুলো সাধারণ মানুষের চলাচল ও বিনোদনের জন্য উন্মুক্ত। কিন্তু অবৈধ দখল ও স্থাপনা নির্মাণের কারণে সাধারণ মানুষের প্রবেশ সীমিত হয়ে পড়ছে। তারা দ্রুত অভিযান চালিয়ে অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলার দাবি জানান।
বিষয়টি নিয়ে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম বলেন, শহররক্ষা বাঁধের ব্লক পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন। ফলে বিষয়টি দেখভালের দায়িত্ব তাদের। তারপরও খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রাজশাহী
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আবু হুরায়রা বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে আমাদের নজরে এসেছে। অবৈধ দখলদারদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব অবৈধ স্থাপনা
উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিডি২৪অনলাইন/সি/এমকে