সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করার নীতিগত সিদ্ধান্ত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পুরো পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। বড় অংকের এ আর্থিক চাপ এবং মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি সামলাতে তিন ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে।
গত বুধ ও বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বাজেট সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। প্রথম ধাপে বর্ধিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ দেওয়া হবে। এ জন্য আগামী বাজেটে ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ রাখার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে মূল বেতনের বাকি ৫০ শতাংশ কার্যকর হবে। সবশেষ তৃতীয় ধাপে বিভিন্ন আনুষঙ্গিক ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা বেতনের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।
তিন বছরে ধাপে ধাপে এ স্কেল বাস্তবায়নের ফলে মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন করে কোনো চাপ পড়বে না। সেই সেঙ্গ সরকারের নগদ অর্থায়ন ব্যবস্থাপনাও অনেক সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
২৩ সদস্যের বেতন কমিশন গত ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন। বর্তমানে দেশের প্রায় ১৪ লাখ কর্মরত সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগী রয়েছেন। এদের বেতন-ভাতা মেটাতে সরকারের বার্ষিক ব্যয় হয় প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।
বিডি২৪অনলাইন/ইএম/এমকে