নাটোরের গুরুদাসপুরে যৌথবাহিনীর পাতা ফাঁদে ধরা পড়েছে নিজেকে এনএসআই (জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা)’র কর্মকর্তা পরিচয়দাতা নাজমুল হোসেন (৩০) নামের এক ব্যক্তি। এ সময় তার কাছে থেকে চাঁদা লেনদেনের টাকা পাওয়া যায়।
নাজমুল হোসেন গুরুদাসপুর শহরের খামার নাচকৈড় মহল্লার বাসিন্দা ও উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের কর্মচারী মকবুল হোসেনের ছেলে।
জানা গেছে, গুরুদাসপুরের খাদ্য পরিদর্শককে আমিনুল ইসলামের কাছে নিজেকে এনএসআই’র মাঠ কর্মকর্তা পরিচয় দেন অভিযুক্ত নাজমুল। এ সময় তাকে জানানো হয়, উৎকোচের বিনিময়ে সরকারি গুদামে খাবার অনুপযোগী চাল কেনা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত সংক্রান্ত ‘দুনীতি দমন কমিশন’- এর একটি চিঠি দেখিয়ে নিজেকে তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত করার কথাও বলা হয়। বিষয়টি আপোসের জন্য অভিযুক্ত নাজমুল ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে বসে ভুক্তভোগীর কাছে।
এদিকে ঘটনাটি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও জেলা প্রশাসককে জানায় ভুক্তভোগী। এরপর পাতা হয় ফাঁদটি। এর অংশ হিসেবে অভিযুক্তকে ৫ লাখ টাকা দিতে রাজি হয় ভুক্তভোগী। রোববার রাত ৯ টার দিকে গুরুদাসপুরে নির্মানাধীন মডেল মসজিদের সামনে ওই চাঁদা লেনদেন করার কথা চুড়ান্ত হয়। কথা অনুযায়ী, অভিযুক্ত সেখানে যায়। চাঁদার টাকা গ্রহণের সময় তাকে জাপটে ধরে চিৎকার শুর করে দেয় ভুক্তভোগী। এরপর আগে থেকেই ওই এলাকায় অবস্থান নেওয়া সেনাবাহিনী, থানা পুলিশ ও এনএসআই সদস্যরা তাকে আটক করে।
গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসমাউল হক জানান, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসের প্রধান সহকারী জুলহাস উদ্দিন এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। সেই অভিযোগটি মামলা হিসাবে রেকর্ড করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিডি২৪অনলাইন/সি/এমকে