টাঙ্গাইলের সখীপুরে কাকলী আক্তার (৩৫) নামের এক গৃহবধূকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। নিজের মেয়ের সামনে কাকলীর স্বামী মেহেদী হাসানই ছুরিকাঘাত করেন তাকে।
রোববার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডের সখীপুর-বাটাজোর সড়কের কাউচিচালা নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে মেহেদী হাসান গা ঢাকা দিয়েছে।
কাকলী আক্তার উপজেলার মোচারিয়া পাথার গ্রামের আব্দুস ছবুরের মেয়ে, মেহেদী হাসান একই ইউনিয়নের ইছাদিঘী গ্রামের মো.হায়দার আলীর ছেলে। এ দম্পতির মেরী আক্তার (১৫) নামের এক মেয়ে ও মিরাজ (১১) নামের এক ছেলে রয়েছে।
জানা যায়, ঘটনার পর মেরী আক্তার তার মাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। রোববার সকালে দু’জনের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মেহেদী ছুরি দিয়ে স্ত্রী কাকলীর পিঠে আঘাত করে।
মেহেদীর ছেলে মিরাজ বলেন, সকালে আমার আব্বু ও আম্মুর মধ্যে ঝগড়া লাগে। আব্বু ছুরি লুকিয়ে খাটে বসে ছিল। আর আম্মু নিচে বসে কাজ করতে ছিল। পরে আব্বু,আম্মুকে ছুরি দিয়ে পিঠের মধ্যে ঘাঁও দেয়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. রাসেল ভূইয়া বলেন, তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই মারা যান।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূইয়া বলেন, নিহতের ভাই মো. বাদল বাদী হয়ে হত্যা মামলা করবেন। এটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
বিডি২৪অনলাইন/সি/এমকে