নাটোরের
গুরুদাসপুরে খুবজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মনিরুল ইসলাম দোলনের বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণ মামলা হয়েছে। সোমবার
(২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে এক ডিভোর্সী নারী মামলাটি করেন। আওয়ামী লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত আব্দুল কুদ্দুসের মেয়ে ও সাবেক সংরক্ষিত
সংসদ সদস্য কোহেলী কুদ্দুস মুক্তির বাসায় পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে একটি কক্ষে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা
হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, স্বামীকে তালাক দেওয়ার পর থেকে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে বসবাস করছেন। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিধবা ভাতা ও সন্তানের উপবৃত্তির টাকা একই সিমকার্ডে নিবন্ধন করা এবং আলাদা সিমে টাকা পাওয়ার বিষয়ে কথা বলতে তিনি চেয়ারম্যান দোলনের বাড়িতে যান।
সেখানে কথাবার্তার একপর্যায়ে চেয়ারম্যান তাকে জানান, আওয়ামী লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত আব্দুল কুদ্দুসের মেয়ে ও সাবেক সংরক্ষিত সংসদ সদস্য কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি তাঁদের বাড়িতে এসেছেন। চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশেই আব্দুল কুদ্দুসের বাড়ি। তাই মুক্তির সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় যান তিনি। পরে চেয়ারম্যান দোলনও তার পিছু নিয়ে ওই বাড়িতে যায়।
এদিকে বাড়ির ভেতরে কাউকে দেখতে না পেয়ে ওই নারী বের হওয়ার পথে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান তাকে পেছন থেকে তাকে জড়িয়ে ধরে। এরপর একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন তাকে। তার ডাক-চিৎকারে চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম দোলনকে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল হান্নান বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বিডি২৪অনলাইন/এনএন/এমকে