ভয়াবহ দূর্যোগের পরও ভারতের বেসরকারি ত্রাণ সামগ্রী নিজের দেশের সীমান্ত এলাকা থেকেই ফিরিয়ে দিচ্ছে নেপাল । দেশটির কাস্টমস এসব বেসরকারি সংস্থাকে জানিয়ে দিয়েছে যে, ত্রাণ দিতে হলে সেই ত্রাণ নেপাল থেকে কিনে তবে দিতে হবে।
নেপালের সিনিয়র সাংবাদিক গজেন্দ্র বুদ্ধঠোকি বলেন, নেপাল কাস্টমস বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, যে কোনো বিদেশি সহায়তা বা ত্রাণসামগ্রী ছাড়পত্রের জন্য নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অথবা জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের আগাম অনুমোদন প্রয়োজন। সঠিক অনুমোদন বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় কাস্টমস কর্তারা বেসরকারি ত্রাণ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান।
তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত বা বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে সরাসরি ত্রাণ বিতরণের চেয়ে কেন্দ্রীয় তহবিলের মাধ্যমে বা নির্ধারিত একচ্ছত্র ব্যবস্থার অধীনে ত্রাণ বিতরণকে প্রাধান্য দিয়েছে নেপাল সরকার ।
কোনো দেশবিরোধী উদ্দেশ্যে নয়, বরং নিজস্ব রাজস্ব ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন মেনে আগাম অনুমোদন না থাকা নেপাল কাস্টমস বিভাগ বেসরকারি কনসাইনমেন্টগুলোকে সীমান্তে আটকে ফেরত পাঠিয়েছে।
দুযোগের
পর ভারত এখন পর্যন্ত প্রয়োজনীয়
ওষুধ, জরুরি খাদ্যসামগ্রীসহ প্রায় ৬৮.৫ টন
ত্রাণ সামগ্রী পাঠিয়েছে নেপালে। পাশাপাশি একটি বিশেষ টানেল উদ্ধারকারী দলও পাঠিয়েছে। এছাড়াও ২৩০ ফুটের একটি মডুলার স্টিল বেইলি ব্রিজ তৈরির সরঞ্জামসহ আরো ১৭টি ব্রিজ তৈরির সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে।
এদিকে ত্রাণের গাড়ি ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় উত্তরপ্রদেশের যুবক রতন ধিল্লোর বলেন- বিনা নিয়ন্ত্রণের কোথাও যাওয়া উচিত নয়। ভারত সবসময় নেপালকে স্বার্থ ছাড়া সাহায্য করে আসছে। কিন্তু ভারতকে অপমান করতে ব্যস্ত নেপাল ।
বিডি২৪অনলাইন/আরডিএন/এমকে