নতুন
পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকুরেদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। এ স্কেল বিষয়ে ইতোমধ্যে সবকিছু চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন মন্ত্রিসভার অনুমোদনের অপেক্ষা। সে অপেক্ষাও বেশি করতে হচ্ছে
না। সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে উঠতে
পারে পে স্কেলের প্রস্তাব। এদিনে অনুমোদন হলে বৃহস্পতিবারের মধ্যেই নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। যে কোনো সময় এটা ঘোষণা হতে পারে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীও জানিয়েছিলেন, নবম বেতন কমিশন ঘোষণা নিয়ে কাজ চলছে। কাজ শেষ হলে মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন হবে।
নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে প্রধান করে ১০ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয় গত ২১ এপ্রিল। এ কমিটি ইতোমধ্যে এ বিষয়ে তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, সরকারি চাকরিতে প্রথম থেকে ২০তম গ্রেডের জন্য মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। দুই ধাপে এ প্রস্তাব বাস্তবায়নের কথা রয়েছে। প্রথম বছরে মূল বেতন এবং দ্বিতীয় বছরে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকর হতে পারে। তবে এ নিয়ে চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত গ্রেডভিত্তিক বেতনের বিষয়টি নিশ্চিত নয়।
এদিকে
সরকারের ১৮০ দিন উপলক্ষে প্রকাশিত ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক ই-বুকে নবম
পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে বেতন-ভাতার জন্য ৮৯ হাজার ৮৩৬
কোটি টাকা এবং পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ মোট
১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪
কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
বিডি২৪অনলাইন/ইএম/এমকে