দেশের
স্বাস্থ্যখাতে শুধু
বাজেট বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না। ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিশ্চিত করাও জরুরি। এ খাতের উন্নয়নে সরকার, বেসরকারি খাত, বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট সব
অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি এ খাতে উদ্যোক্তা
তৈরিতে গুরুত্ব দিতে হবে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাজধানী ঢাকায় গুলশানে এক হোটেল অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। দেশের সম্পদের কথা বিবেচনায় রেখে এরইমধ্যে বেশ ভালো একটি বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, শুধু বাজেট বরাদ্দ করা কখনোই যথেষ্ট নয়। এ বরাদ্দের সর্বোত্তম ব্যবহারের প্রক্রিয়াটিই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই ভিত্তিপ্রস্তর বা গাঁথুনি স্বাস্থ্যখাতের জন্য তৈরি করতে যাচ্ছে বর্তমান সরকার।
স্বাস্থ্যখাত আরও এগিয়ে নিতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে বলে জানান মন্ত্রী। তার মতে, উভয়পক্ষ যদি যার যার নিজস্ব গতিতে চলে, তাহলে এ খাত সামগ্রিকভাবে উপকৃত হবে না। তাই বেসরকারি খাতের সঙ্গে সরকারি কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় সাধনে জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে।
তিনি জানান, স্বাস্থ্যখাতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে যখন একটি প্রতিযোগিতা থাকবে, তখন সেবার মান আরও বেড়ে যাবে। এক্ষেত্রে সরকারি খাত সবসময় কিছুটা পিছিয়ে পড়ে। এ জন্য সরকারি কর্মসূচির সঙ্গে বেসরকারি খাতকে সংহত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
বিডি২৪অনলাইন/এনএন/এমকে