দেশে আপাতত কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ দল হিসেবে পুরোপুরি নিষিদ্ধ হবে কি না, সেটি নির্ধারিত হবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। তারা মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত ছিল কি ছিল না, সেই বিচারের পর নির্ধারিত হবে। এর আগ পর্যন্ত সন্ত্রাস দমন আইনে তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকবে। এখন যে কোনো কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামতে চাইলে একটা আইন ভঙ্গকারী কাজ করছে। তাই সরকার সেখানে ব্যবস্থা নেবে। বিষয়টি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) ঢাকায় সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব বিষয় জানান তিনি। একটা গণতান্ত্রিক পরিস্থিতিতে, গণতান্ত্রিক পেরামিটারের মধ্যে একটা দলকে গণতান্ত্রিক হতে হয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা আরও জানান, এ কারণেই অনেক দল নিষিদ্ধ হয়। জার্মানিতে একটা দল ২০ শতাংশ ভোট পেয়েছেন, সিট পেয়েছেন, কিন্তু সেই দলটা থাকবে কি থাকবে না- এটা নিয়ে কিন্তু আলাপ-আলোচনা হচ্ছে।
আওয়ামী লীগ মাঠে অনেক কিছু করে ফেলতে পারবে- এমনটা মনে করেন না প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা। তার মতে, আওয়ামী লীগের সেই রকম নৈতিক সাহস নেই। কারণ একটা কথা বলে না- চোরের মায়ের বড় গলা। মানে আওয়ামী লীগের বড় গলা হতে এ দেশের সবার মেমোরি শেষ হয়ে যেতে হবে। সবার ডিমেনশিয়া হবে, তারপর কোনো দিন আওয়ামী লীগ এসে বড় গলা করে কথা বলতে পারবে। এর আগে মনে হয় না পারবে। কিছু লুটপাটকারী, মাফিয়া, চোর-বাটপারের খুব বেশি নৈতিক সাহস থাকে না বলেও মন্তব্য করেন ডা. জাহেদ উর রহমান।
আওয়ামী
লীগের সমর্থন ও কাযক্রম চালানোর বিষয়ে উগ্রপন্থি
বা চরমপন্থি ধর্মীয় গোষ্ঠীর প্রসঙ্গে টেনে আনেন প্রধানমন্ত্রীর
তথ্য উপদেষ্টা। তিনি জানান,
অনেকে বলেন- বিপুল জনসমর্থন রয়েছে আওয়ামী লীগের। ধরুন, দেশের ৫০ শতাংশ মানুষ
আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে। একইভাবে, কোনো উগ্রপন্থি বা চরমপন্থি ধর্মীয়
গোষ্ঠীকেও ৪০ বা ৫০
শতাংশ মানুষ সমর্থন করলে কি নির্বিঘ্নে কার্যক্রম
চালাতে দেওয়া হবে তাদের?। না। কারণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কিছু মৌলিক নীতি ও শর্ত রয়েছে।
সেই নির্ধারিত চেকলিস্ট মেনেই চলতে হয় সবাইকে।
বিডি২৪অনলাইন/আরডিএন/এমকে