সীমান্তে লেথাল উইপন্স ব্যবহারের তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ জুন ২০২৬


বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের প্রতিটি সীমান্ত সম্মেলনে সীমান্তে হত্যাকান্ড বিষয়টি অত্যন্ত জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়েছে। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সবসময়ই সীমান্তে আত্মরক্ষার অজুহাতেমারাত্মক বা প্রাণঘাতী অস্ত্র’ (লেথাল উইপন্স) ব্যবহারের তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদকে এ কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। টেবিলে উত্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান  মন্ত্রী। বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী জানান, বিএসএফের গুলিতে নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক চুক্তি সম্পাদিত হয়নি। তবে প্রতিটি পর্যায়ে জবাবদিহিতা ক্ষতিপূরণের বিষয়টি নিয়ে পরোক্ষভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে।

ভারত সরকারের সাথে বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাপ্ত ফলাফল সংসদে তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, বাংলাদেশের ক্রমাগত কূটনৈতিক কৌশলগত চাপের মুখে বিএসএফ সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করে অমরণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে একাধিকবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সীমান্তে অপ্রীতিকর ঘটনা শূন্যে নামিয়ে আনতে বাংলাদেশ সরকার বিজিবি নিরলসভাবে কাজ করছে এবং কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চলমান রয়েছে বলেও সংসদকে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

বিডি২৪অনলাইন/এনএন/এমকে


মন্তব্য
জেলার খবর