পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় অতি দরিদ্র ও দুস্থদের ভিডব্লিউবি সঞ্চয়ের ৭ লাখের বেশি টাকা পকেটেস্থ করেছেন তিরনইহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসাইনের বিরুদ্ধে। এদিকে সঞ্চয় ফেরত পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন সাড়ে ৩শ নারী উপকারভোগী।
তথ্যানুযায়ী, তিরনইহাট ইউনিয়ন পরিষদে ২০২৫-২০২৬ চক্রের ভিডব্লিউবি কর্মসূচির আওতায় অতি দরিদ্র দুস্থ ৩৬৩ জন নারীদের প্রতিমাসে ৩০ কেজি হারে চাল বিতরণ করা হয়। এতে নিয়ম অনুযায়ী চাল উত্তোলনের আগে প্রতিমাসে জনপ্রতি ২২০ টাকা হারে সঞ্চয় জমা করেন। এভাবে মাসে ৭৯ হাজার ৮৬০ টাকা উত্তোলন হয়। এ টাকা ব্যাংকে উপকারীভোগীদের হিসাব নম্বরে জমা রাখার কথা।
২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১১ মাসের মোট সঞ্চয় ৮ লাখ ৭৮ হাজার ৪৬০ টাকা। কিন্তু চেয়ারম্যান আলমগীর হোসাইন জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারি মাসের টাকা ব্যাংকে জমা করে বাকি ৯ মাসের ৭ লাখ ১৮ হাজার ৭৪০ টাকা তার পকেটে তুলেছেন। দুই মাসের টাকা জমা করানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অগ্রনী ব্যাংক শালবাহান হাট শাখা কর্তৃপক্ষ।
তিরনইহাট ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর মো.নাজমুল হক বলেন, ভিডব্লিউবি চাল বিতরণের সময় ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ দিয়ে উপকারীভোগীদের কাছ থেকে সঞ্চয়ের টাকা উত্তোলন করা হয়। উত্তোলনের টাকা আগে প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে দিয়েছিল। কয়েকমাস থেকে আমাকে দেয়। পরে সব টাকা একসাথে করে আমি চেয়ারম্যানের কাছে জমা দেই।
অভিযুক্ত তিরনইহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো.আলমগীর হোসাইনের মুঠোফোনে বার বার কল করলেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। তেঁতুলিয়া উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা (অতিরিক্ত) করুনা কান্ত রায় জানান, বিষয়টি তিনি অবগত রয়েছেন। সরজমিন পরিদর্শন করে এবং সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিডি২৪অনলাইন/সি/এমকে