ছবি সংগৃহিত
প্রতিবেশি হান্নান মোল্লার আলমারির ড্রয়ার থেকে অপসৃত হয় ১২০ টাকা। এ জন্য দোষারোপ করা হয় শ্রাবন্তী খাতুনকে। শুধু দোষারোপ নয়, এক পযায়ে বাড়ির ভেতরের বারান্দার খুঁটির সঙ্গে তার দুই হাত বেঁধে তার উপর চালানো হয় নিযার্তন। হান্নান মোল্লার পরিবারের নির্মমতায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এক পযায়ে নিজেকে রক্ষায় সেই টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে ভুক্তভোগী। এরপর শ্রাবন্তীর বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
গেল শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে পাবনার চাটমোহর উপজেলার চিনাভাতকুর গ্রামে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হান্নান মোল্লাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
১৩/১৪ বয়সী শ্রাবন্তী চিনাভাতকুর গ্রামেরই বাসিন্দা আলতাব হোসেনের মেয়ে। স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনার পাশাপাশি হান্নান মোল্লার বাড়িতে খন্ডকালীন গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতো সে। হান্নান মোল্লা তাদের প্রতিবেশি। আলতাব হোসেন একজন দিনমজুর। এলাকাবাসী সূত্রে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, নিযাতনের খবর পেয়ে হান্নানের বাড়িতে যায় শ্রাবন্তীর মা। এরপর মেয়েকে সেখান থেকে বাড়িতে নিয়ে আসে। এ সময় শ্রাবন্তীর মাকেও কূট কথা শুনতে হয়। পরবর্তীতে বাড়িতে শ্রাবন্তীকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলতে দেখেন তার মাসহ অন্যরা। ফাঁস দিয়ে সে আত্মহত্যা করেছে বলে জানায় স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা জানায়, আলমারির ড্রয়ার থেকে শুক্রবার সকালে টাকা খুজে পাচ্ছিল না হান্নান মোল্লা। এরপরই সন্দেহ থেকে শ্রাবন্তীকে ধরে তার উপর নিযাতন চালানো হয়। নিযাতনের ঘটনাটি প্রকাশ্যেই ঘটে। স্থানীয় অনেকে সে দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে।
পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় হান্নান মোল্লাসহ কয়েকজনের নামে মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের স্বার্থে এখন সে সম্পর্কে কিছু বলা যাচ্ছে না। হান্নান মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বিডি২৪অনলাইন/সি/এমকে