জ্বালানিতে ভুর্তকি লাগবে প্রায় ১৬ হাজার ৪৫ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ মার্চ ২০২৬

null


বৈশ্বিক অস্থিরতাবিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লেও দেশে এখনো জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা হয়নি। বর্তমানে ডিজেলের বিক্রয়মূল্য প্রতি লিটার ১০০ টাকা হলেও প্রকৃত ব্যয় হয় প্রায় ১৯৮ টাকা। একইভাবে অকটেনের ক্ষেত্রেও ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছে সরকার।

মার্চ থেকে জুন প্রান্তিকে দেশে জ্বালানিতে সব মিলেয়ে ভর্তুকির পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ১৬ হাজার ৪৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ডিজেলের জন্য প্রায় ১৫ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা এবং অকটেনের জন্য ৬৩৬ কোটি টাকা ভর্তুকি দরকার হবে।  এর বাইরে পেট্রোবাংলার মাধ্যমে এলএনজি আমদানির ক্ষেত্রে এপ্রিল-জুন সময়ে প্রায় ১৫ হাজার ৭৭ কোটি টাকা ভর্তুকি লাগবে। সরকারের মতে, সংকটের সময় জনগণের পাশে দাঁড়ানোই রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব।

সোমবার (৩০ মার্চ) জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে  এ তুলে ধরেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী আরও জানান, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে এপ্রিল মাসে ৫০ হাজার মেট্রিক টন অকটেন আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি দেশীয় উৎস থেকে আরও ৩০ হাজার মেট্রিক টন অকটেন পাওয়া যাবে। এটা দিয়ে মাসিক চাহিদা ৩৫ হাজার মেট্রিক টন মেটানোর পরও অন্তত দুই মাসের  মজুত রাখা সম্ভব হবে। বৈশ্বিক বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে চাপ সৃষ্টি হলেও আগাম প্রস্তুতি, নিয়মিত আমদানি এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে সরকার।

জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেলে কৃষি, পরিবহনসহ সার্বিক জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বৈদেশিক চাপ থাকা সত্ত্বেও দেশে জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়নি। ইতোমধ্যে বিশ্বের অনেক দেশ, এমনকি প্রতিবেশী দেশগুলোতেও জ্বালানির দাম ২৫ শতাংশের বেশি বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু দেশে জনস্বার্থে দাম স্থিতিশীল রাখা হয়েছে।

 

বিডি২৪অনলাইন/ইএম/এমকে

 



মন্তব্য
জেলার খবর