বর্তমানে দেশের হামের একটি আক্রমণ চলছে। হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় দ্রুত ভ্যাকসিন সংগ্রহের উপর জোর দিচ্ছে সরকার। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে দ্রুত ভেন্টিলেটর, আইসিইউ ইউনিট এবং ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশু ও হাম রোগীদের জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে আলাদা ওয়ার্ড,আইসোলেশন এবং ভেন্টিলেটরের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) খাতে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ভ্যাকসিন কেনার জন্য পারচেজ কমিটি অনুমোদন দিয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ফাইন্যান্স কমিটি সেটা পাস করেছে।
হাম সংক্রান্ত এসব তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকায় সচিবালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বৈঠকের সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব টিকা আসবে। টিকা আসার সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুত জনগণকে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, হামের সংক্রমণ বাড়তে থাকলে ডিএনসিসির কোভিড মোকাবিলার জন্য তৈরি বড় স্পেসগুলো পরিষ্কার করে পুনরায় চালু করি আমরা। মানিকগঞ্জে ৮ শয্যার আইসিইউ ইউনিট ভেন্টিলেটরসহ চালু করা হয়েছে। রাজশাহীতে পাঁচটি ভেন্টিলেটর পাঠিয়েছি।
হামের সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে হামের একটি তীব্র আক্রমণের মুখোমুখি হয়েছি আমরা। হঠাৎ করে কেন এটি বেড়ে গেল, সেটা বুঝতে হবে। গত এক দশকের বেশি সময় ধরে নিয়মিত ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা থাকলেও ২০১৮ সালের পর আর কোনো ক্যাম্পেইন হয়নি। ফলে যেসব শিশু টিকা পায়নি, তাদের মধ্যেই এখন হাম বেশি ছড়াচ্ছে এবং মারাত্মক আকার ধারণ করছে।
বিডি২৪অনলাইন/এনএন/এমকে