মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের মধ্যে দেশের জ্বালানি আমদানিতে যে অতিরিক্ত অর্থ খরচ হবে, সেটা আইএমএফকে জানানো হয়েছে। আর আইএমএফের ঋণ ছাড় বিষয়ে জুলাইতে আলাপ হবে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ঢাকায় সচিবালয়ে আইএমএফের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৈঠকে পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী।
যুদ্ধ প্রেক্ষাপটে আইএমএফের পরামর্শ দেওয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের প্রেক্ষাপট আছে। ব্যাংকিং সেক্টরের চ্যালেঞ্জ আছে, শেয়ার বাজারে চ্যালেঞ্জ আছে। ট্যাক্স ও জিডিপির ব্যাপার আছে।
সরকার গঠনের মাত্র এক মাস হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর মধ্যে রমজান ছিল, যুদ্ধ শুরু হয়েছে। এ রকম পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট সত্ত্বেও পরিবহনে কোনো সমস্যা হয়নি। ঈদের সময় সবাই বাড়িতে গেছেন, ভাড়া বাড়েনি; দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ছিল। গার্মেন্টেসেও অস্থিরতা ছিল না এবার। এটা হয়েছে আমাদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার কারণে। আমরা সঠিক সময়ে সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছি বলে এসব সুফল পাওয়া গেছে।
অর্থমন্ত্রী জানান ,আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু সরকার একা পারবে না। সবাইকে সহানুভূতিশীল হতে হবে, সংযমের মধ্যে আসতে। যুদ্ধে সরকারের কোনো হাত নেই। কিন্তু এর ভুক্তভোগী আমরা। এ জন্য একটু সংযমের দিকে যেতে হবে আমাদের, সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে।
বিডি২৪অনলাইন/ইএম/এমকে