উৎপাদন খরচ ও সিন্ডিকেট বড় কারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ জানুয়ারী ২০২৬

দেশে চালের চাহিদা ৩১ মিলিয়ন মেট্রিক। বিপরীতে উৎপাদন ৪৪ মিলিয়ন টন। এতে স্পষ্ট চালের উৎপাদনে ঘাটতি নেই। এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম ৪০ শতাংশ কমেছে। কিন্তু দেশে কমছে না। দেশে চালের দাম বৃদ্ধির ক্ষেত্রে চালের উৎপাদন খরচ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট বড় কারণ। শুধু চালই নয়, চিনি তেলের ক্ষেত্রেও আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলেও দেশে  কমছে না।

বিষয়টি জানিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। গেল শনিবার ঢাকার ধানমন্ডিতে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে এক বিফ্রিংয়ে সিপিডি থেকে এ বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়েছে।

সিপিডি বলছে, চালের মূল্যের সঙ্গে অন্যান্য পণ্যের মূল্যস্ফীতির সম্পৃক্ততা রয়েছে। ২০২৩ সাল থেকে উচ্চ মূল্যস্ফীতি এখনও বিদ্যমান। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মূল্যস্ফীতি কমছে ঠিকই। কিন্তু কমার হার ধীরগতির। মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রা থেকে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। গেল ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি .৪৯ শতাংশ। খাদ্য মূল্যস্ফীতি আরও কমেছে। তবে খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি শতাংশ।

সিডিপি রাজস্ব নিয়েও কথা বলেছে। জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ মাসে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ১৬. শতাংশ। এ প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা থেকে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। নভেম্বর পর্যন্ত রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি ১৫.০২ শতাংশ। এনবিআরকে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে বাকি সময়ে প্রায় ৩৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে। বর্তমান বাস্তবতায় এটা খুবই কঠিন হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

সিডিপি জানিয়েছে, সংশোধিত বাজেটে এনবিআরের লক্ষ্যমাত্রা ৫৫ হাজার কোটি টাকা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু অতীত অভিজ্ঞতা বলে মূল বাজেটে থাকা লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতেই হিমশিম খেতে হয় এনবিআরকে। সামনে নির্বাচন, অর্থনৈতিক গতিপ্রকৃতিও মন্থর। পরিস্থিতিতে লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি কতটা যৌক্তিক, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।

 

বিডি২৪অনলাইন/ইএম/এমকে



মন্তব্য
জেলার খবর