সকাল ৯টা পরবর্তী ৪০ মিনিট অফিসে অবস্থান বাধ্যতামূলক

নিজস্ব প্রতিবেদক
০৪ মার্চ ২০২৬


এখন থেকে প্রতি কাযদিবসে সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সময় অফিসে বাধ্যতামূলকভাবে অবস্থান করতে হবে। কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করা যাবে না।  কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে দাপ্তরিক কাজ ছাড়া অফিস সময়ে  ত্যাগ করতে পারবেন না নিজ দপ্তর।  সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এমন নির্দেশনা দিয়ে গত রোববার (২ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে সারা পথে দাপ্তরিক বা ব্যক্তিগত বিভিন্ন কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত থাকে। এতে নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত না থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে জনসাধারণ অন্যান্য দপ্তরের প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ব্যাহত হয়, নাগরিক সেবা প্রদান, প্রশাসনিক কার্যক্রমের গতি এবং সরকারের ভাবমূর্তির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। এমন পরিস্থিতিতে সেবাগ্রহণকারী নাগরিকদের সুবিধা, প্রশাসনিক গতিশীলতা আন্তঃদপ্তর সমন্বয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে সব কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত আবশ্যিকভাবে নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান করবেন। দাপ্তরিক কর্মসূচি প্রণয়নের ক্ষেত্রেও সময়সীমা যেন বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্ক থাকবেন।

পরিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯' এবং 'সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪' অনুযায়ী সব সরকারি, আধা-সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্ধারিত সময়ে নিজ দপ্তরে উপস্থিতি প্রস্থান নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক।

এদিকে শিক্ষা/প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এবং প্রশাসনিক দায়িত্বে নিয়োজিত নন এমন শিক্ষক/অনুষদ সদস্যরা; হাসপাতাল, জেলখানা, সংবাদ বা নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে রোস্টার ডিউটিতে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা; জরুরি গ্রাহকসেবায় সরাসরি সম্পৃক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা; মাঠপর্যায়ে নিয়মিত দায়িত্ব পালনকারী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমরূপ সংস্থার সদস্যরা;  ভিভিআইপি/ডিআইপি প্রটোকল প্রদান, আকস্মিক বৃহৎ দুর্ঘটনা মোকাবিলা, উন্নয়ন সহযোগী বা কূটনৈতিক মিশনের সঙ্গে অতি গুরুত্বপূর্ণ সভায় অংশগ্রহণ এবং অনুমোদিত সরকারি সফরের ক্ষেত্রে এ এ বাধ্যবাধকতা প্রযোজ্য হবে না।

বিডি২৪অনলাইন/এনএন/এমকে



মন্তব্য
জেলার খবর