যুবলীগ নেতা বাপ্পির নির্দেশে ওসমান হাদিকে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
০৬ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকার মিরপুরের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পির নির্দেশে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকান্ডের মামলায় ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন (চার্জশিট) দাখিল করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি আরও বলেন,  অধিকতর তদন্তে আরও কারো সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে আদালতে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করা হবে।

শফিকুল ইসলাম জানান, অভিযুক্তদের মধ্যে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল, ফয়সালের বোন জেসমিন, আলমগীর ফিলিপসহ পাঁচজন এখনো পলাতক রয়েছে।

 

শফিকুল ইসলাম বলেন,  ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক ধারার সূচনা করেন ওসমান হাদি। বিভিন্ন সময়ে তিনি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বিগত দিনের কার্যকলাপ সম্পর্কে সমালোচনামূলক জোরালো বক্তব্য দেন। এতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তার উপর ক্ষুব্ধ হয়।  তাকে গুলি করা পলাতক আসামি ফয়সাল করিম ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

ফয়সাল করিম এবং তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে পালাতে সার্বিক সহায়তা করেন বাপ্পী। বাপ্পী পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৬নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ মনোনীত নির্বাচিত কমিশনার (কাউন্সিলর) ছিলেন।

 

বিডি২৪অনলাইন/এনএন/এমকে



মন্তব্য
জেলার খবর