তবে
কী দেশে ক্রয়ফায়ারের সংস্কৃতি ফিরে আসছে আবার। ক্রসফায়ার নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বক্তব্য দেওয়ার পর এ প্রশ্ন দেখা
দিয়েছে জনমনে। আইজিপি) বলেছেন,
প্রয়োজনে সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করা হবে।
সোমবার
(২৬ অক্টোবর) রাজধানী ঢাকার চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে এ কথা
বলেন পুলিশ প্রধান। মানবাধিকার
সংস্থাগুলোর হিসাবে, দেশে কথিত
"ক্রসফায়ার"
বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শেষ ঘটনাগুলো ঘটেছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী
লীগ সরকারের পতনের ঠিক আগ পর্যন্ত। যদিও ২০২১ সালের ডিসেম্বরে
র্যাবের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর থেকে এ
ক্রসফায়ারের ঘটনা নাটকীয়ভাবে কমে আসে। ২০২৪
সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক
পটপরিবর্তনের পর থেকে দেশে
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা ক্রসফায়ারের আনুষ্ঠানিক
কোনো ঘটনা রেকর্ড করা হয়নি বলে জানা গেছে।
বিগত
আওয়ামী সরকারের ১৬ বছরের শাসনামলে বিনা বিচারে 'ক্রসফায়ারের' নামে সাড়ে চার হাজারেরও
বেশি মানুষকে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। গত আগস্টে এ কথা জানিয়েছিলেন আইন,
বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
এদিকে
সোমবার ওই অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, যেখানে ক্রসফায়ার প্রয়োজন, সরকার যদি অনুমতি দেয়,
আমরা সেটাই করব। পুলিশের দায়িত্ব পালন ও বলপ্রয়োগ নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
পুলিশ লাঠিপেটা
করলে বলা হয় পুলিশ ফ্যাসিস্ট।
আবার পুলিশ নীরব থাকলে বলা হয় দুর্বল পুলিশ।
আসলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে বলেও জানান
তিনি।
সমাজে
শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইন ও সংবিধান অনুযায়ী চলতে হবে উল্লেখ করে পুলিশ প্রধান
বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়
পুলিশকে সহযোগিতা করতে হবে। গুজব ও মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে
বিভ্রান্ত না হয়ে প্রকৃত ঘটনা যাচাই করা জরুরি। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক
রাখা এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।
বিডি২৪অনলাইন/ এনএন/এমকে