নড়াইলের
লোহাগড়া উপজেলার গোপীনাথপুর বেপারীপাড়া এলাকায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভাসুরের
বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর মৃত্যুর কারণ নিয়ে ওই তার বাবার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে
ধোয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে পুলিশের ধারণা, ওই গৃহবধু আত্মহত্যা করেছেন।
ওই গৃহবধূর নাম সাথী খানম (২৪)। তিনি নলদী ইউনিয়নের বৈকণ্ঠপুর গ্রামের খাঁজা বিশ্বাসের মেয়ে। তার শ্বশুরবাড়ি একই উপজেলার দিঘলিয়া সাহাপাড়ায়। স্বামী শাহাবুল ইসলাম পাখি প্রায় দুই বছর ধরে সৌদি আরবে থাকেন।
খাঁজা
বিশ্বাস জানান, তার মেয়ে আগের দিন ৩ বছর বয়সী
ছেলে রাজকে নিয়ে ভাসুর পলাশ শেখের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে পলাশ শেখ ফোন করে মেয়ের সমস্যার কথা জানান। পরে সেখানে গিয়ে মেয়ের মরদেহ দেখতে পান। মা নাছিমা বেগম
বলেন, কী
হলো যে এমন ঘটনা
ঘটলো?
সাথীর ভাসুর পলাশ শেখ জানান, তিনি বাড়ি ফেরার পর সাথী অন্য ঘরে যান। প্রায় আধা ঘণ্টা পর তার ৩ বছরের ছেলে ওই ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পায়। ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে জানালা দিয়ে সাথীকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখা যায়।
ভাসুর পলাশ শেখের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে পলাশ শেখ ফোন করে মেয়ের সমস্যার কথা জানান। তিনি সন্ধ্যা ৭টার দিকে গিয়ে মেয়ের মরদেহ দেখতে পান। পরে তিনি থানায় অপমৃত্যুর আবেদন করেন।
এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম বলেন, লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েচে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ও তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।
বিডি২৪অনলাইন/সি/এমকে