বিদেশ
থেকে আমদানি করা গ্যাস সরবরাহকারী জাহাজে দুর্ঘটনা ও পাইপলাইনের বিঘ্নতার
কারণে দেশে গ্যাস
সংকট শুরু হয়। সংকট কাটাতে ইতোমধ্যে
গত সপ্তাহ থেকে বিকল্প উপায়ে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। এতে পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে স্বাভাবিক হচ্ছে। আগামী ৫ থেকে ৭
দিনের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে যাবে পরিস্থিতি।
গ্যাস
সংকট সৃষ্টির কারণ ও সংকট কাটাতে বিকল্প উপায়ে
গ্যাস সরবরাহ হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে এই আশাবাদ
ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর)
রাজধানীর ঢাকার গুলশানে এক অনুষ্ঠানে
এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
গ্যাসের অবৈধ ব্যবহার ও চুরির তীব্র সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী জানান, মেশিন দিয়ে জোর করে একটি অসাধু চক্র পাইপলাইন থেকে অবৈধভাবে গ্যাস নিলেও এতে চরম কষ্টের শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। সরকার একা এটা রোধ করতে পারবে না। কেউ যেন অবৈধভাবে বিদ্যুৎ, গ্যাস বা তেল নিতে না পারে, সে বিষয়ে সজাগ ও প্রতিরোধমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে সবাইকে।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৭ বছর ধরে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকা স্বৈরাচারী সরকার দেশকে সম্পূর্ণ বিদেশনির্ভর করে তুলেছিল এবং বাপেক্সকে পঙ্গু করে রেখেছিল। শ্বেতপত্রের তথ্য অনুযায়ী বছরে ১৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার করা হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এই লুণ্ঠন ও পাচার রোধ করে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তৃণমূলের মানুষকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার দ্বিমুখী লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। দেশকে জ্বালানি খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে বর্তমানে ১৩০টি নতুন গ্যাস কূপ অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বে জ্বালানি সংকট সৃষ্টির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তার সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ১২ দিনের মাথায় এই যুদ্ধের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। জনগণের ওপর চাপ কমাতে প্রথমে জ্বালানির দাম বাড়ায়নি সরকার। কিন্তু কিছু অসাধু চক্রের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে বাধ্য হয়ে দাম সমন্বয় করতে হয়েছে। দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, জনগণকে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি রক্ষায় সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। যেকোনো বড় কর্মসূচি বা সংকটের স্থায়ী সমাধানে কিছুটা সময় প্রয়োজন হয় বলেও জানান তিনি।
বিডি২৪অনলাইন/এনএন/এমকে