প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজে সন্তুষ্ট দেশের ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ। সরকারের কাজের তুলনায় তার কাজে সন্তুষ্টির হার বেশি। এমনকি অন্য দলের সমর্থকদের মধ্যেও রয়েছে তার গ্রহণযোগ্যতা । এদিকে ৩৫ দশমিক ৬ শতাংশ মনে করছেন ভুল পথে চলছে দেশ। ৮৯ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা, ৭৯ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ জ্বালানি ও গ্যাস এবং ৬৯ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ নিত্যপণ্যের দামের ক্ষেত্রে খারাপ বলেছেন সরকারের কাজকে। গণভোটের রায় বাস্তবায়নের প্রতি ৭০ শতাংশ উত্তরদাতা সমর্থন জানিয়েছেন।
স্বাধীন জনমত গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডপলার রিসার্চ বাংলাদেশ লিমিটেড তাদের এক জরিপে এ তথ্য পেয়েছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইনোভিশন কনসালটিংয়ের অর্থায়ন ও সহায়তায় পরিচালিত এ জরিপের ফলাফল বুধবার (১৯ আগস্ট) প্রকাশ করা হয়।
এ জরিপে অংশ নেওয়া ২১ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ প্রধানমন্ত্রীর কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বাকি ১২ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ কোনো মতামত দেননি। সরকারের ১৮০ দিনের কাজ নিয়ে জরিপের মাঠপর্যায়ের কাজ পরিচালিত হয়েছে চলতি আগস্ট মাসেই। সরাসরি এক সাক্ষাৎকার নেওয়া প্রাপ্তবয়স্কদের একটি প্যানেলের ওপর জরিপকালে ১০ হাজার ৪১৩টি কল করা হয়।
জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়, বয়স, লিঙ্গ, শিক্ষা ও আয়ভেদে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সন্তুষ্টি ৬১ দশমিক ৭ থেকে ৭০ দশমিক ৩ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। দেশের ৮ বিভাগেই এই হার ৬২ দশমিক ৩ এর বেশি।
জরিপে অংশ নেওয়াদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের ৬৫ দশমিক ৫ শতাংশ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমর্থকদের ৬৫ দশমিক ৮ শতাংশ এবং আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ৫২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন। সরকারের কাজকে ৫৪ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ ভালো এবং ৩২ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ খারাপ বলেছেন।
৪৮ দশমিক ৬ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করছেন দেশ সঠিক পথে চলছে। ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ এ বিষয়ে কোনো মতামত দেননি। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৫৯ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা বিদ্যুৎ ও জ্বালানিকে এবং ৫৯ দশমিক ১ শতাংশ নিত্যপণ্যের দামকে বড় সংকট হিসেবে দেখছেন। এরপর আইনশৃঙ্খলা ও কর্মসংস্থানের বিষয়টি উঠে এসেছে। ৪৬ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, এক বছর আগের তুলনায় তাদের পরিবারের অবস্থা খারাপ হয়েছে। সামনের ১২ মাসে পরিবারের অবস্থা ভালো হবে বলে আশা করছেন ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ। ফ্যামিলি কার্ডের প্রতি ৭৮ দশমিক ৬ শতাংশ, করনীতির প্রতি ৭০ দশমিক ৭ শতাংশ সমর্থন জানিয়েছেন ।
এদিকে
জামায়াতে ইসলামীর
আমিরের কাজকে ৪৭ দশমিক ৭
শতাংশ মানুষ এবং এনসিপির প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়কের কাজকে ৩৯
দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ ভালো চোখেই দেখছেন।
বিডি২৪অনলাইন/এনএন/এমকে