যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বাণিজ্য চুক্তি ৬০ দিনের নোটিশের মাধ্যমে বাতিলের সুযোগ থাকলেও আপাতত সেই পথে যাচ্ছে না সরকার। এর পরিবর্তে চুক্তির বিভিন্ন শর্ত আলোচনার মাধ্যমে পুনর্বিবেচনা ও সংশোধনের সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) ঢাকায় সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
তথ্য উপদেষ্টা আরও জানান, চুক্তির সম্ভাব্য ঝুঁকি এবং সীমাবদ্ধতা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও বিশেষজ্ঞ মহলে আলোচনা হচ্ছে। এটা পর্যবেক্ষণ করছে সরকার। তিনি জানান, চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক শুল্কসংক্রান্ত বিষয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই চুক্তির প্রভাব, স্বাক্ষরের প্রেক্ষাপট এবং রাষ্ট্রীয় স্বার্থ বিবেচনায় রেখে ধাপে ধাপে মূল্যায়ন করবে সরকার।
কিছু ক্ষেত্রে চুক্তির নির্দিষ্ট শর্ত পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে বলে জানান তথ্য উপদেষ্টা। বলেন, সরকার এমন কিছু ধারা শনাক্ত করতে চায়, যেগুলো দেশের স্বার্থের পরিপন্থি বা ভবিষ্যতে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। প্রয়োজনে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।
সব ধরনের আন্তর্জাতিক চুক্তির প্রকৃতি এক নয় উল্লেখ করে তিনি জানান, কিছু চুক্তি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক হওয়ায় সেগুলো থেকে বেরিয়ে আসা কখনো কখনো বেশি ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে জনগণের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে এমন অতীতের সব চুক্তি বা সমঝোতা মূল্যায়নের আওতায় আনবে সরকার। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিডি২৪অনলাইন/এনএন/এমকে