আস্থা ফেরানোটাই বড় চ্যালেঞ্জ ইসির

নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ অগাস্ট ২০২৫


দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য পুরোদমে প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ঠিক থাকলে রোজার আগেই আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ভোটগ্রহণ হবে। নির্বাচনে মানুষের আস্থা ফেরানোটাই অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। সঙ্গে তিনি এটাও বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের হুঁশ থাকা পর্যন্ত সব কার্যক্রম একেবারেই সোজা থাকবে। বিধিবিধান বা আইনকানুন ছাড়া এটা বাঁকা হবে না।

শনিবার ( আগস্ট) রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন সিইসি। সেখানে নির্বানের বিভিন্ন বিষয়সহ চালেঞ্জের কথা সাংবাদিকদের জানান তিনি।

নাসির উদ্দিন বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ একটি  নির্বাচন করাটাই সরকার নির্বাচন কমিশনের চ্যালেঞ্জ। নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকাটা যেমন চ্যালেঞ্জ, তেমনি নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবক্ষেত্রে মানুষের আস্থা ফেরানোটাও বড় চ্যালেঞ্জ। সামাজিক মাধ্যম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অপব্যবহারও একটা চ্যালেঞ্জ। এসব থেকে উত্তরণ বা মোকাবিলার করণীয় বিষয়ে কাজ করছে কমিশন।

সিইসি বলেন, মানুষকে কেন্দ্রমুখী করতে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে আস্থা ফেরাতে নেওয়া হবে সব ধরনের উদ্যোগ।

নির্বাচন কমিশন প্রধান জানান, এবারের নির্বাচন হবে বিশ্বমানের। এবার প্রিসাইডিং পোলিং অফিসারদের মধ্যে একটা পরিবর্তন আসবে নির্বাচনে। বিগত নির্বাচনে যেসব মাঠকর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্ব পালনের সময় সমালোচিত হয়েছেন, আগামী নির্বাচনে তাদের পরিবর্তে বিকল্প চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

সিইসি জানান- ভোটে বিশৃঙ্খলা করতে দেওয়া হবে না, ভোট বন্ধ করার আগে তদন্ত করা হবে। এবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অনেক শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে। সুন্দর গ্রহণযোগ্য ভোটের জন্য যা যা করার দরকার তাই করা হবে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, কোনো এক কনস্টিটিউয়েন্সি (নির্বাচনী এলাকা) গোলমাল করলে; একটা কেন্দ্র, দুইটা কেন্দ্র, একাধিক কেন্দ্র পুরো কনস্টিটিউয়েন্সি বাতিল করা হবে। যদি বেশি গোলমাল হয়, পুরো কনস্টিটিউয়েন্সি বাতিল করা হবে। সেখানে আরেকদিন ভোট নেওয়া হবে। দেশের ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনা করে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

সরকার পতনের পর  বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা ভালো আছে বলে জানান সিইসি। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনের আগে এ পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।

 

বিডি২৪অনলাইন/এনএন/এমকে

 



মন্তব্য
জেলার খবর