বৈশ্বিক
যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকট এখনও কাটেনি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, অতীতে দেশকে পুরোপুরি আমদানিনির্ভর করে তোলায় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ আমদানিতে
বিঘ্ন ঘটলে সংকটের মুখে পড়তে হয়েছে। তবে অতীতের ব্যর্থতা নিয়ে সমালোচনায় সময় না দিয়ে কীভাবে
ভবিষ্যতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়, এখন
সেই চেষ্টা করছে তার সরকার।
মঙ্গলবার
(৩ নভেম্বর) রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তারেক রহমান, সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়িয়ে জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমাতে হবে। এ জন্য সরকার,
উদ্যোক্তা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সহযোগীদের
পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
সৌরবিদ্যুতের
প্রসারে তার সরকার ১ হাজার ৫০০
কোটি টাকার তহবিল গঠন করেছে জানিয়ে
তারেক রহমান বলেন, আগামী
এক বছরের মধ্যে দেশের ১৭ হাজার সেচপাম্প
সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা হবে। বছরে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫
হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী
গ্রীষ্মের আগেই ৩ থেকে ৪
হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সৌরবিদ্যুৎ খাতে অর্থের অভাবে বিনিয়োগ থেকে উদ্যোক্তারা যাতে পিছিয়ে না যান, সে জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ একসঙ্গে কাজ করলে নির্ধারিত উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা কঠিন হবে না বলেও জানান তিনি।
বিডি২৪অনলাইন/এনএন/এমকে