দেশে উন্নয়ন প্রকল্প বারবার সংশোধন করে মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ানোর প্রবণতা বন্ধে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে শুরু থেকেই প্রকল্পের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় দুর্বলতা চিহ্নিত করে সেটা দূর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রকল্প গ্রহণ থেকে শুরু করে প্রক্রিয়াকরণ, অনুমোদন ও সংশোধনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান নির্দেশনাগুলো যুগোপযোগী করার কাজ চলছে বলেও সংসদকে জানান সরকার প্রধান।
উন্নয়ন প্রকল্প নির্ধারিত সময় ও বাজেটের মধ্যে শেষ না হওয়ার পেছনে একক কোনো কারণ দায়ী নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকল্প প্রণয়নে দুর্বলতা, সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে ঘাটতি, সঠিক ব্যয় নির্ধারণ না করা, ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্ব, ক্রয় প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা এবং পর্যাপ্ত তদারকির অভাব— সব মিলিয়ে এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। তাই এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে প্রকল্প অনুমোদনের আগেই সম্ভাব্যতা সমীক্ষা আরও নির্ভুল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে অনুমোদনের পর প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরুর প্রস্তুতিও দ্রুত সম্পন্ন করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রকল্পের বাস্তব অবস্থা জানতে মাঠপর্যায়ে তদারকি এবং নিয়মিত পর্যালোচনা আরও জোরদার করা হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণ ও বিভিন্ন ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ দ্রুত শেষ করতে সমন্বয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে। নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে না পারা প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে বিলম্ব, অনিয়ম এবং অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণ কী— এসব বিষয় যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দায় প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
বিডি২৪অনলাইন/এনএন/এমকে