পাবনার চাটমোহরে মারপিটের শিকার
হাশেম প্রামানিক
নামের একজন ঘটনার ৬ দিনের মাথায় মারা গেছেন। কৃষকদলের বহিস্কৃত স্থানীয় এক নেতার লোকজনের
হামলায় তিনিসহ অন্তত ৭ জন আহত হয়েছিলেন। হামলার ঘটনার বিচারের বিষয়ে ভুক্তভোগীরা আইনের
শরণাপন্ন হওয়ার চেষ্টা করলেও হাশেমের মৃত্যুর আগে মামলা নেয়নি পুলিশ।
মামলা গ্রহণের ক্ষেত্রে পুলিশের
গড়িমসি নিয়ে নানা গুঞ্জন থাকলেও থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অলিউর রহমান জানিয়েছেন, পূর্বের ওসির সময়ের বিষয় তার জানা নেই। এ নিয়ে
তিনি কিছু বলতেও পারবেন না। এ ঘটনায় তিনি অভিযোগ পাওয়ার পরই মামলা হয়েছে। সেই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদেরও
গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যমতে,
নকল দুধ তৈরির কারখানায় জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই ও স্থানীয় প্রশাসনের হানা নিয়ে গত ২৯
সকালে উপজেলার নটাবাড়িয়া গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। নকল দুধ তৈরির কারখানার তথ্য দেওয়ার
সন্দেহে তাদের ওপর হামলা হয়।
জানা গেছে, নকল দুধ তৈরির
দায়ে আব্দুল মমিন
নামের কৃষকদলের বহিস্কৃত ওই নেতাকে একাধিকবার জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। নকল দুধ
তৈরির দায়ে জরিমানার মুখোমুখি হওয়ার পরই তাকে দলীয় পদ থেকে বহিস্কার করা হয়।
হাশেম প্রামানিক নটাবাড়িয়া গ্রামের মৃত নুর আলীর ছেলে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাত ১২ টার দিকে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু
হয়। ময়নাতদন্তের জন্য রাতেই তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
মামলার পর গ্রেফতার আসামি
হচ্ছে নটাবাড়িয়া গ্রামের নওফেল আলীর ছেলে শাহীন হোসেন। মামলায় কৃষকদল নেতা আ. মমিনসহ ১০জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার বাদি হচ্ছে
হাশেম প্রামাণিকের ভাগ্নে
আলহাজ উদ্দিন।
হাশেম প্রামানিক চায়ের দোকানি
ছিলেন। তিনি দুই ছেলে ও তিন মেয়ের বাবা। মেয়েদের মধ্যে ছোট মেয়েটি শিশু।
হামলার সময়ে চাটমোহর থানায়
কর্মরত অফিসার ইনচার্জকে বদলি ও পুলিশ পরিদর্শককে
(তদন্ত) নতুন থানায় পদায়ন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
বিডি২৪অনলাইন/সি/এমকে