দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধায় লোড- আনলোড না করেই টাকা আদায় করছে ল্যান্ডপোর্ট ও লেবার হ্যান্ডেলিং কোম্পানি। এতে পুনরায় লোড- আনলোড করতে বাড়তি খরচ করায় বাধ্য হয়ে লোকসান গুনতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। দিনের পর দিন লোকসান হওয়ায় স্থলবন্দর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে আমদানিকারকের অনেকে। এদিকে লোড- আনলোডের সেবা না দিয়ে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট ও লেবার হ্যান্ডেলিং কোম্পানি।
আমদানিকারকরা জানায়, লোড- আনলোড এবং অন্যান্য খরচসহ প্রতিটনে ১৯১ টাকা আদায় করা হলেও তাদের কোনো ধরণের লোড করে দেওয়া হয় না। এছাড়াও বন্দরে পাথর লোড করতে পেলোডার গাড়ি নেই। এসব কারণে সময় ও অর্থ বেশি লাগছে। এতে লোকসান হচ্ছে ব্যবসায়। অনেকে ব্যবসা গুছিয়ে চলে গেছেন।
জানা যায়, এ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ লেবার হ্যান্ডেলিং কাজ করছে আফতাহী ট্রেড বা এটিআই নামক একটি কোম্পানি। বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি আকতারুল ইসলাম বলেন, আমদানিকারকদের কাছে লোড আনলোডের টাকা নিয়ে নেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ। তবে আমাদেরকে আনলোড বাবদ ৪২-৪৩ টাকা দেওয়া হয়। লোড না করেও বাকী টাকা এটিআই ও বন্দর কর্তৃপক্ষ নেয়।
আমদানিকারক আলাউদ্দিন বাবু বলেন, লোড আনলোডের টাকা নেয় কিন্তু কোন সেবা না দিয়ে কৌশলে প্রতিটনে ৩০ টাকা ফেরত দেয়।
লেবার হ্যান্ডেলিং ঠিকাদারি কোম্পানি আফতাহী ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের প্রোপাইটর রুহুল আমিন বাবুল হোসেনকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।
বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ বলেন,আমরা লোড করে দিতে চাই। কিন্তু ব্যবসায়ীরা নেয় না। গাড়ি আনলোড করে নিতে তাদের খরচ বেশি হবে। লোডিং বাবদ আমদানিকারকদের ৩২ টাকা ফেরত দেওয়া হয়। তবে বাকী ৪৪ টাকা ৮৩ পয়সা কোথায় যায়, তার হিসাব দিতে নারাজ এ কর্মকর্তা।
বিডি২৪অনলাইন/সি/এমকে