null
দেশে
এখন বিদ্যুতের
কোনো ঘাটতি নেই। এ কারণে লোডশেডিং করার প্রয়োজন হচ্ছে না। ঝড়-বৃষ্টিতে গাছ পড়ে লাইন ছিঁড়ে যাওয়া কিংবা সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনের
ত্রুটির কারণে সাময়িক বিদ্যুৎ-বিভ্রাট হতে পারে, এটা লোডশেডিং নয়। লোডশেডিং হচ্ছে বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ না থাকা।
রোববার
(৭ জুন) জাতীয়
সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনে
সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান
বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। মন্ত্রী সংসদকে জানান, দেশে
গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুমে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা দৈনিক প্রায়
১৮ হাজার মেগাওয়াট। চাহিদা অনুযায়ী বর্তমানে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নেই। তবে গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ চাহিদার সময় বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানির ঘাটতি, সঞ্চালন ও বিতরণ অবকাঠামোর
সীমাবদ্ধতা, রক্ষণাবেক্ষণ ও ঝড়-বৃষ্টির
কারণে মাঝে মাঝে কিছুটা বিদ্যুৎ-বিভ্রাট ঘটে। এ কারণে চাহিদা অনুযায়ী মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয় না।
দেশে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে সরকার জীবাশ্ম জ্বালানির পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গুরুত্বারোপ করেছে বলে সংসদকে জানান বিদ্যুৎমন্ত্রী। তিনি জানান- গ্যাস, কয়লা ও তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে সর্বোচ্চ উৎপাদন নিশ্চিত করতে নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ যথাযথ পরিকল্পনার মাধ্যমে সম্পন্ন করে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
সংসদকে মন্ত্রী জানান, দেশে গ্রিডভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট। ৭ হাজার ৯২৮ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ৩২টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন রয়েছে। এ ছাড়া ৬৬৫ মেগাওয়াট সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ১৫টি নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দরপত্র প্রক্রিয়া চলমান আছে। ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে চালু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ১৬ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট থেকে ১৭ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। চাহিদা অনুযায়ী বর্তমানে ১৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট থেকে ১৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।
বিডি২৪অনলাইন/এনএন/এমকে