মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে প্রয়োজনীয় জ্বালানি আমদানি করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরবরাহ করতে না পারায় উৎপাদন করা যাচ্ছে না চাহিদামতো বিদ্যুৎ। তাই গ্রাম ও শহরের মধ্যে লোডশেডিংয়ের ক্ষেত্রে সমন্বয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। ঢাকায় সচিবালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি তুলে ধরেন সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্মসচিব উম্মে রেহানা।
বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্মসচিব বলেন, দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ১২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হলেও গ্যাসের অভাবে উৎপাদন হচ্ছে অর্ধেকের মতো । বুধবার দেশে বিদ্যুৎ চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৭৬৭ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ হয়েছে ১৩ হাজার মেগাওয়াটের মতো। ঘাটতির পরিমাণ ছিল ২ হাজার মেগাওয়াট।
এদিকে চালুর ১১ দিনের মাথায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বুধবার দুপুরে আবারও ওই ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, এদিন দুই ইউনিট থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪৯৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। দুপুর ২টার দিকে এক লাফে উৎপাদন কমে প্রায় সাড়ে ৭০০ মেগাওয়াটে নেমে আসে।
পিডিবির সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, কারিগরি ত্রুটির কারণে আদানির একটি ইউনিট থেকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। মেরামতে জন্য তিন থেকে চার দিন সময় লাগতে পারে।
বিডি২৪অনলাইন/এনএন/এমকে