দেশে নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ৪ বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। এ কর্মসূচির মূল দর্শন হচ্ছে- ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক।
বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে এ কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে বিষয়টি জানান প্রধানমন্ত্রী। সংসদ অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম সভাপতিত্ব করেন।
নারীদের এ কার্ড দেওয়ার ব্যাখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে দেশে প্রচলিত ৯৫টিরও বেশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সহায়তা দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে এ সহায়তা দেওয়া হলেও দারিদ্র্যের হার কাঙ্ক্ষিত রূপে হ্রাস পায়নি। জনগোষ্ঠীর পুষ্টি ও স্বাস্থ্যের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নও ঘটেনি। দেখা গেছে, কোনো পরিবারের মাকে এ জাতীয় সহায়তা দেওয়া হলে সেটি পরিবারের শিশুসহ অন্যান্য সদস্যের খাদ্য, পুষ্টি, জরুরি চিকিৎসা ও শিক্ষায় ব্যবহৃত হয় এবং অর্থের অপচয় বা অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয়ের সুযোগ হ্রাস পায়। এ কারণে ফ্যামিলি কার্ড পরিবারের প্রধান নারী সদস্যকে দেওয়া হবে। এতে একদিকে সহায়তাটি সরাসরি পরিবারের কল্যাণে ব্যয় হবে, অন্যদিকে ফ্যামিলি কার্ডটি নারী প্রধানের নামে হওয়ায় সম্পদের ওপর তার নিয়ন্ত্রণ বাড়বে। এতে পরিবারে সিদ্ধান্ত প্রদান ও মর্যাদা বৃদ্ধি তথা পরিবার ও সমাজে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হবে।
বিডি২৪অনলাইন/এনএন/এমকে