ঢাকা - আগস্ট ১০, ২০২০ : ২৬ শ্রাবণ, ১৪২৭

উদযাপন হচ্ছে ঈদ, প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

নিউজ ডেস্ক
আগস্ট ০১, ২০২০ ০৯:৫৯
১০ বার পঠিত

আজ ১০ জিলহজ্ব (শনিবার), মুসলিম উম্মাহর ‍দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা।বাংলাদেশে ইসলাম ধর্মের রীতি-নীতি অনুসরণ করে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা।এ উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মুসলিম জনগোষ্ঠীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং ঈদ মোবারক জানিয়েছেন। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশের বিশিষ্টজনেরা।করোনা পরিস্থিতির কারণে এ বার ঈদগাহ বা খোলা ময়দানের পরিবর্তে মসজিদে মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করবেন মুসল্লিরা।

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে ঈদের নামাজ আদায়ে করোনা সম্পর্কিত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ সংক্রান্ত বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে সরকার ধর্ম মন্ত্রণালয়।শুক্রবার (৩১ জুলাই) ইসলামিক ফাউেন্ডশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঈদুল আজহায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হবে ছয়টি ঈদ জামাত।সকাল ৭টায় হবে প্রথম জামাত। এরপর পর্যায়ক্রমে ৭টা ৫০, ৮টা ৪৫, ৯টা ৩৫, ১০টা ৩০ অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয়-পঞ্চম জামাত। শেষ জামাত এবং ১১টা ১০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। বিভাগীয় থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যন্ত মসজিদগুলোতে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঈদের জামাত হবে।

এ দিকে তার বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদুল আজহার মর্মবাণী অন্তরে ধারণ করে সবাইকে বৈষম্যহীন, সুখী, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন।।বলেন, এ বার আমরা এক সংকটময় সময়ে ঈদ-ঈদুল আজহা উদযাপন করছি। করোনাভাইরাস সারা বিশ্বকে স্থবির করে দিয়েছে। আমাদের সরকার এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আল্লাহ বিপদে মানুষের ধৈর্য্য পরীক্ষা করেন। এ সময় সবাইকে অসীম ধৈর্য্য নিয়ে সহনশীল ও সহানুভূতিশীল মনে একে অপরকে সাহায্য করে যেতে হবে। এ মহামারিতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি করার অনুরোধ জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, আমরা যেন ঘরে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদের আনন্দ উপভোগ করি এবং আল্লাহতায়ালার দরবারে বিশেষ দোয়া করি, যেন এ সংক্রমণ থেকে আমরা সবাই দ্রুত মুক্তি পাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, হযরত ইব্রাহীম (আ.) মহান আল্লাহর উদ্দেশ্যে প্রিয়বস্তুকে উৎসর্গ করার মাধ্যমে তার সন্তুষ্টি লাভের লক্ষ্যে যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, তা বিশ্ববাসীর কাছে চিরকাল অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় হয়ে থাকবে। শান্তি সহমর্মিতা, ত্যাগ ও ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা দেয় ঈদুল আজহা।

এমআই



মন্তব্য