ঢাকা - আগস্ট ১০, ২০২০ : ২৬ শ্রাবণ, ১৪২৭

৬০ হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে ভারত ও মিয়ানমার

নিউজ ডেস্ক
জুলাই ১২, ২০২০ ০৯:৫০
২৩ বার পঠিত

গরু পাচার করে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে নিয়ে যাচ্ছে ভারত ও মিয়ানমার। এ গরু পাচার বন্ধ না হলে দেশীয় পশু পালন উন্নয়ন ও সীমান্ত হত্যা বন্ধ করা যাবে না। শনিবার (১১ জুলাই) সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেছে ঢাকা মহানগর মাংস ব্যবসায়ী সমিতি।

বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সংগঠনটির মহাসচিব রবিউল ইসলাম লিখিত বক্তব্যে বলেন, দেশীয় পশু পালনের উন্নয়নের স্বার্থে ভারত ও মিয়ানমার থেকে গরু, মহিষ ও মাংস আমদানি বন্ধ করতে হবে। ১০ ও ২০ হাজার কোটি টাকা কৃষিঋণ দিলে দেশের কৃষকরাই চরাঞ্চলে পশু পালন করতে পারবে।এতে দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রফতানি করা যাবে।বছরে ৬০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা যাবে।

তিনি জানান, সরকার, শিল্পপতি ব্যবসায়ী, সমাজের প্রতিষ্ঠিতরা জাকাতের অর্থ থেকে গরিব, কৃষক, বিধবা, বেকার যুব সমাজের মাঝে গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়ার বাচ্চা বিতরণ, পশু পালনে উৎসাহিত করতে পারেন। তাহলে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে ৩০০ টাকা কেজিতে মাংস খাবো। ইতোমধ্যে সেনাবাহিনী স্বর্ণচরে পশু পালন প্রকল্প শুরু করেছে।

রবিউল ইসলাম বলেন, চামড়া শিল্প উন্নয়ন ও রফতানির প্রধান প্রতিবন্ধকতা বর্জ্য ও পানি শোধনাগার সিইটিপি পরিপূর্ণ করতে হবে। রফতানি সচল না হলে সরকারের শত শত কোটি টাকা ব্যয়ে চামড়া শিল্পনগরী উন্নয়নের সফলতা ভোগ করতে পারবো না। মাংস কাটা ও চামড়া সংগ্রহ বিষয়ে শ্রমিকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, কোরবানির পশুরহাটে জননিরাপত্তার নামে ইজারাদারদের অবৈধ অর্থের নিরাপত্তা দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অভিযোগ দিয়েও কোনও সমাধান পায় না ভোক্তারা । পশুর হাটে সরকার নির্ধারিত খাজনার চেয়ে বেশি খাজনা নেওয়া হয়।একটি গরু সীমান্ত থেকে ঢাকা পর্যন্ত নিয়ে আসতে তিনবার হাটে বিক্রি হয়। তিনবারই খাজনা দিতে হয়। এতে গরুর দাম বেড়ে যায়।

এমআই



মন্তব্য