ঢাকা - আগস্ট ০৯, ২০২০ : ২৪ শ্রাবণ, ১৪২৭

কারও কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই

নিউজ ডেস্ক
জুন ২৯, ২০২০ ১০:২৭
৬৪ বার পঠিত

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত একেবারেই ভেঙে পড়েছে। এখানে কারও কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। এখানে সরকারের তরফ থেকে স্বাস্থ্য অধিদফতর আছে, তারা একেক সময় একেক রকম কথা বলছেন। স্থানীয় সরকারে যারা আছেন, তারাও একেক সময় একেক রকম কথা বলছেন।

রোববার ‘করোনাভাইরাস প্রতিষেধক ওষুধ বিতরণ’কর্মসূচি উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।জাতীয়তাবাদী হোমিওপ্যাথিক দলের উদ্যোগে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে করোনাভাইরাস প্রতিষেধক ওষুধ বিতরণ করা হয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, স্বাস্থ্য খাতে সরকারের চরম অবহেলা করার কারণে, তাদের উদাসীনতার জন্য এবং কোভিড ১৯-এর আক্রমণের পর থেকে সঠিক সিদ্ধান্ত না নেয়ার কারণে এবং ভ্রান্ত নীতির কারণে আজকে বাংলাদেশে সবচেয়ে করুণ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। লকডাউন দেয়ার দাবি জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, অনেক দিন আগেই বলা হয়েছে- দেশে রেড জোন, ইয়েলো জোন, গ্রিন জোন করা হবে। ঢাকা শহরকে কতগুলো অঞ্চলে ভাগ করে রেড জোন চিহ্নিত করে লকডাউন দেয়া হবে। একমাত্র পূর্ব রাজাবাজার ছাড়া আর কোথাও এটি হয়েছে বলে আমার জানা নেই। আসলে আমার মনে হয় সরকার জানেও না যে অ্যাকজাক্টলি তারা কী করবেন? কী করতে চাচ্ছেন? এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর একটি গাইডলাইন দেবে সেটিও তারা দিতে পারেনি।

তিনি বলেন, পুরো বাংলাদেশের কোভিড-১৯ মোকাবেলা করার জন্য যে একটা ম্যাপ, একটা রোডম্যাপ, একটা পরিকল্পনা, একটা প্রতিরোধ পরিকল্পনা তার সবটাই অনুপস্থিত এখানে। বাংলাদেশে পরিদর্শনে এসে চীনা বিশেষজ্ঞরা বলে গেছেন, বাংলাদেশে সব কিছু এলোমেলো। এখানে কোথায় রোগ আছে, সেটিই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। চিহ্নিত করতে পারছেন না এবং চিহ্নিত করার জন্য কোনো ব্যবস্থা তাদের নেই।

তিনি জানান, সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে এ মুহুত্বে কোথাও অক্সিজেন পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি হাসপাতালগুলোতেও অক্সিজেন নেই। আর হাসপাতালে যে বেডগুলো করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার জন্য রাখা হয়েছে, সেই বেডগুলো নাকি খালি পরে আছে। কারণ মানুষ হাসপাতালে যেতে চাচ্ছে না, হাসপাতালের যে ব্যবস্থা তাতে কেউ আস্থা রাখতে পারছে না। বেশিরভাগ মানুষই ঘরের মধ্যে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আবার অনেকেই ঘরের মধ্যেই মারা যাচ্ছেন।

এমআই



মন্তব্য