ঢাকা - জুলাই ০৪, ২০২০ : ২০ আষাঢ়, ১৪২৭

বস্তি উচ্ছেদের উদ্যোগ

নিউজ ডেস্ক
জুন ০৩, ২০২০ ০৯:০৫
১৫২ বার পঠিত

দেশে বস্তি উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উচ্ছেদের আগে বস্তিবাসীদের পূনর্বাসন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের টাকায় পুনর্বাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথমে রাজধানী ঢাকায় ও পরবর্তীতে দেশের অন্যান্য শহরে এ কার্যক্রম শুরু হবে। এ জন্য জাতীয় পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। রোববার (৩১ মে) ‘পরিকল্পিত উপায়ে বস্তি অপসারণ এবং বস্তিবাসীদের পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কমিটি’ গঠন সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনটি জারি করেছে সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ।

এ কমিটির চারটি কার্যপরিধি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আছে- অপসারণের আগে বস্তিবাসীদের পুনর্বাসনের জন্য কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুতকরণ, বস্তি গড়ে ওঠা স্থানে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুরোধ বিবেচনা করে পরিকল্পিত উপায়ে বস্তি অপসারণের পরিকল্পনা গ্রহণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অসামাজিক কার্যক্রম বন্ধে বস্তি অপসারণের প্রয়োজনীয়তা, প্রতিক্রিয়া ও মানবিক বিষয় পর্যালোচনা করে পদক্ষেপ গ্রহণ এবং প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে দেওয়া যথাযথ হিসাব সংরক্ষণ ও নিরীক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো।

জাতীয় পর্যায়ের কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে।সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব। এ কমিটিতে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী এবং বেশ কয়েকজন সচিবকে সদস্য করা হয়েছে। কমিটিতে মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে রয়েছে- সমাজকল্যাণ ও ভূমিমন্ত্রী, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী। সচিবদের মধ্যে রয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, সেতু বিভাগের সচিব, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে সচিব। এছাড়া গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে।

কমিটির সদস্য সচিব ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে বস্তিবাসীদের পুনর্বাসনের জন্য ইতোমধ্যেই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এখানে বস্তিবাসীরা ভাড়া ভিত্তিতে বসবাস করতে পারবেন। তিনি জানান, প্রথম পর্যায়ে রাজধানীতে বসবাসরত বস্তিবাসীদের পুনর্বাসন করা হবে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শহরগুলোতেও এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জানান, কমিটি গঠনের প্রজ্ঞাপন এখনও তিনি পাননি। প্রজ্ঞাপন পেলে এ বিষয়ে বলতে পারবেন।

এমআই



মন্তব্য