ঢাকা - জুন ০২, ২০২০ : ১৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭

ঈদ উদযাপনে ডিএমপির ১৪ নির্দেশনা

নিউজ ডেস্ক
মে ২৩, ২০২০ ১০:৩৩
৮৩ বার পঠিত

করোনা ভাইরাসের থাবা থেকে বাঁচতে এবার ঈদুল ফিতর উদযাপনে ১৪ ধরণের নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।এসব নির্দেশনা অনুসরণ করতে ধর্মপ্রাণ নাগরিকদেরকে অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি।

ডিএমপি বলছে, ২৫ মে (চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। করোনার প্রাদুর্ভাবে ঈদগাহ বা উন্মুক্ত স্থানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হবে না। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জীবনের ঝুঁকি বিবেচনা করে ঈদের নামাজের জামাত খোলা জায়গার পরিবর্তে নিকটস্থ মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। একই মসজিদে প্রয়োজনে একাধিক জামাতের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

ডিএমপির দেওয়া ১৪টি নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে-১. ঈদের নামাজের জামাতের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।২. ঈদের নামাজের জামাতের সময় মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। মুসল্লিরা প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।৩. করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধ নিশ্চিত করতে মসজিদে প্রবেশদ্বারে সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে।৪. মসজিদের ওজুখানা ব্যবহার না করে প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসস্থান থেকে ওজু করে মসজিদে আসতে হবে।ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।৫. ঈদের জামাতে আগত মুসল্লিদের অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে।৬. ঈদের নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে দাঁড়াতে হবে।৭. এক কাতার অন্তর অন্তর কাতারবদ্ধ হতে হবে।৮. করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে মসজিদে জামাত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলানো থেকে বিরত থাকতে হবে। ৯. মসজিদ কমিটিকে মসজিদে শৃঙ্খলার সঙ্গে প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে পৃথক পৃথক ব্যবস্থা রাখতে হবে।১০. করোনা পরিস্থিতিতে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের বাসায় যাতায়াত করা থেকে বিরত থাকতে হবে।১১. ঈদের দিন ও পরবর্তী সময়ে বিনোদন কেন্দ্রে যাতায়াত না করে নিজ ঘরে অবস্থান করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে হবেক।১২. ঈদ উদযাপনের লক্ষ্যে যারা ঢাকার বাইরে যাবেন, তারা তাদের বাসা অথবা ফ্ল্যাটের মেইন গেটে অটোলক ব্যবহার করুন এবং বাসাবাড়ি ত্যাগের আগে রুমের দরজা-জানালা সঠিকভাবে তালাবদ্ধ করুন।১৩. মালিক পক্ষ স্ব স্ব মার্কেট/শপিংমলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করুন এবং আপনার এলাকার থানা/ফাঁড়ির সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখুন।১৪. খালি বাসায় মূল্যবান সামগ্রী না রেখে ঢাকায় অবস্থান করছেন এমন আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় তা রেখে যান।

এমআই



মন্তব্য