ঢাকা - জুন ০২, ২০২০ : ১৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭

ঈদের আগে খুলছে না বেশিরভাগ বড় মার্কেট

নিউজ ডেস্ক
মে ১০, ২০২০ ১০:৪৩
৪৮ বার পঠিত

সরকার শর্ত সাপেক্ষ অনুমতি দিলেও রোজার ঈদের আগে রাজধানী ঢাকার বেশিরভাগ বড় মার্কেট না খোলার ঘোষণা দিয়েছেন দোকান মালিক সমিতির নেতারা।করোনা আতঙ্কের পাশাপাশি গণপরিবহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা, কড়াকড়ি করোনা সম্পর্কিত স্বাস্থ্যবিধি আরোপ এবং বিকাল ৪টার পর দোকান বন্ধের নির্দেশনা থাকায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

শনিবার পর্যন্ত যেসব মার্কেট না খোলার খবর পাওয়া গেছে, তার মধ্যে রয়েছে- বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক, ইস্টার্ন প্লাজা, মোতালেব প্লাজা, পলওয়েল মার্কেট, মৌচাক ও আনারকলি মার্কেট, নিউমার্কেট, গাউছিয়া মার্কেট, চাঁদনি চক, চিশতিয়া মার্কেট, নিউ চিশতিয়া মার্কেট, ইসমাইল ম্যানশন, ইস্টার্ন মল্লিকা, চাঁদনি চক, নূর ম্যানশন, গোল্ডেন প্লাজা, গ্রিন স্মরণিকা, ধানমণ্ডি হকার্স মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন মার্কেট, নূরানী ম্যানশন, এলিফ্যান্ট রোডের আশপাশের মার্কেট, বঙ্গবাজার কমপ্লেক্স, এনেক্সকো টাওয়ার, মহানগর কমপ্লেক্স, ঢাকা ট্রেড সেন্টার, ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট, সুন্দরবন সুপার মার্কেট, নগর প্লাজা, সিটি প্লাজা, জাকির প্লাজা, গুলিস্তান পুরান বাজার, মিরপুর এলাকার শপিংমল।

পলওয়েল মার্কেট দোকান সমিতির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম তালুকদার মনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন,নয়াপল্টন করোনার ডেঞ্জার জোন হওয়ায় ব্যবসায়ী ও দোকান মালিক সমিতি মার্কেট চালু না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর যে ধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে, তা মেনে দোকান খোলা কঠিন। ইস্টার্ন মল্লিকা মার্কেটের সভাপতি ও মহানগর দোকান মালিক সমিতির নেতা সারওয়ার উদ্দিন খান গণমাধ্যমকে বলেছেন, গণপরিবহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা, ৪টার পর দোকান বন্ধ রাখা, স্বাস্থ্যবিধি মানার বিধি-নিষেধ মেনে এ মুহূর্তে মার্কেট চালু করা সম্ভব নয়। চাঁদনি চক মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন বলেন, ঈদের আগে মার্কেট খোলা হবে না। পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তীতে মার্কেট খোলা হবে।

তবে রামপুরা, শান্তিনগর, এলিফ্যান্ট রোড, মিরপুর এলাকায় রাস্তার পাশে কিছু বিপনি-বিতান, রামপুরা, শান্তিনগর, খিলগাঁও ও মিরপুর এলাকায় রাস্তার পাশে জুতা, জামা-কাপড়, ইলেকট্রনিক্স, টেইলার্সসহ অন্য সব দোকানপাট শনিবার থেকে খুলতে দেখা গেছে। তবে বড় পরিসরে মার্কেট খুলতে দেখা যায়নি।

প্রসঙ্গত, ৪ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ১০ মে থেকে মার্কেট খোলার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের চিঠি দেয়। এতে বলা হয়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে শপিংমল ও দোকানপাট খোলা যাবে। বিকাল ৪টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ করতে হবে। অন্যদিকে, ৭ মে করোনা পরিস্থিতিতে ঢাকা মহানগরীতে শপিংমল ও মার্কেট খোলা রাখা ও বেচা-কেনার বিষয়ে ১৪টি নির্দেশনা দেয় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এতে বলা হয়, ক্রেতাদের নিজ এলাকার দুই কিলোমিটারের মধ্যে থাকা শপিংমলে কেনাকাটা করতে হবে। প্রত্যেক ক্রেতাকে নিজ পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড/পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি) সঙ্গে রাখতে হবে। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে ২৬ মার্চ থেকে দোকানপাট বন্ধ রাখা হয়।

এমআই



মন্তব্য