ঢাকা - মার্চ ৩০, ২০২০ : ১৬ চৈত্র, ১৪২৬

সময়মতো বেতন পাবেন: বিজিএমইএ সভাপতি

নিউজ ডেস্ক
মার্চ ২৫, ২০২০ ১৪:০০
১২৯ বার পঠিত

করোনাভাইরাসে শ্রমিকদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সময়মতো শ্রমিকরা বেতন পাবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ড. রুবানা হক। তিনি সবাইকে প্রধানমন্ত্রীর ওপর ভরসা রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘তিনি আমাদের পাশে আছেন। শুধু গার্মেন্ট শ্রমিক নয়, সব শ্রমিকের কথাই ভাবছেন প্রধানমন্ত্রী।’ সোমবার এক ভিডিওবার্তায় তিনি এ কথা বলেন।

দুপুরে ৪ মিনিট ১৬ সেকেন্ডের এক ভিডিওবার্তায় বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, ‘আমরা সবাই দুরূহ ও অস্বাভাবিক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। অর্ডার পরিস্থিতি অত্যন্ত শোচনীয়। গত ৪ দিনে প্রায় দেড় বিলিয়ন ডলারের অর্ডার বাতিল হয়েছে। কেউ কেউ পুরো অর্ডার বাতিল করেছেন, আবার কেউ আংশিক। অনেক ক্রেতা আলোচনার কথা বলছেন। আলোচনা করার কথা বললেও একটা আশা থাকে। কিন্তু বাতিল করে দিলে কোনো জায়গা থাকে না। ক্রেতারা এই মৌসুমের পণ্য আগামী মৌসুমে নেবে কি না, সেটাও বলছে না। এ অবস্থায় চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। এই দেড় বিলিয়ন ডলার বাতিল বা স্থগিত করায় প্রায় ১২ লাখ শ্রমিক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

এটা শুধু বিজিএমইএর ওয়েবসাইটে গার্মেন্ট মালিকদের দেয়া তথ্য। এর বাইরেও প্রচুর অর্ডার বাতিল হয়েছে।’ শ্রমিকদের উদ্দেশে রুবানা হক বলেন, ‘এ অবস্থায় ধৈর্য হারালে হবে না। ২৫ মার্চ প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। সবাই তার ভাষণের জন্য আপেক্ষা করি। আতঙ্কিত হওয়ার জায়গা নেই। শ্রমিকদের যখন বেতনের সময় আসবে তখন তারা বেতন পাবেন। কেউ ভয় পাবেন না। ভরসা রাখুন। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় আমাদের আশ্বস্ত করেছে, তারা আমাদের পাশে আছে।

অন্তত প্রধানমন্ত্রীর ওপর এটুকু ভরসা রাখুন, শুধু গার্মেন্টের ৪১ লাখ শ্রমিকের দিকে নয়, উনি সব শ্রমিকের দিকে তাকিয়ে আছেন। যতদিন উনি পাশে আছেন, আমরা কেউ পানিতে পড়ব না। বিদেশি ব্র্যান্ডকে আবেদন জানাই, তারা যেন বানানো মালগুলো নেয়। অন্তত চলার জায়গা তৈরি করুন। না হলে আগামী ৬ মাসে বড়, মাঝারি ও ছোট সব কারখানা বসে যাবে।’

সংবাদকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের তাৎক্ষণিক একটি হেডলাইন, স্ক্রল এ মুহূর্তে পোশাক শিল্পের জীবন বদলে দিতে পারে। যদি কোনো ধরনের আতঙ্ক সৃষ্টি হয়, না শ্রমিক ভাই-বোনরা উপকৃত হবে, না বিজিএমইএ উপকৃত হবে, না শিল্প উপকৃত হবে, না সরকার উপকৃত হবে। শ্রমিক বেতনের সময় তার বেতন পাবে। এটি মনে রেখে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ান।’

তিনি আরও বলেন, ‘শ্রমিকদের মাস্ক দেয়া চলছে, ডাক্তারদের পোশাক তৈরির কাজ চলছে। যেখানে পারছি করছি, আর যেখানে পারছি না সেখানে অন্তত রেইনকোর্ট কিনে সামনে মাস্ক দেয়া হচ্ছে। যাতে ডাক্তারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে। বিজিএমইএ সব সময় শ্রমিকদের পাশে আছে।’



মন্তব্য