ঢাকা - এপ্রিল ১০, ২০২০ : ২৭ চৈত্র, ১৪২৬

সুযোগ নিচ্ছেন চিনি ব্যবসায়ীরা

নিউজ ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২০ ১৯:১৭
১২৫ বার পঠিত

দেশে পাইকারি বাজারে অস্থির হয়ে উঠেছে চিনির দাম।দুই সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপণ্যটির দাম মণপ্রতি বেড়েছে প্রায় ২৫০ টাকা। দুই ধাপে ৫ টাকা হারে বাড়ানোর হয়েছে সরকারি চিনির দাম।এ সুযোগ নিচ্ছেন মিল মালিকসহ আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা। বাজার স্থিতিশীল রাখার পরিবর্তে চিনির দাম বাড়াতেই মূখ্য ভূমিকা রাখছে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের (বিএসএফআইসি)। উৎপাদন বৃদ্ধি ও সরবরাহ স্বাভাবিকের মাধ্যমে বাজার স্থিতিশীল রাখে সংস্থাটি।

জানা গেছে, বাজারের ৯০ শতাংশ চিনির পরিমাণ আমদানিনির্ভর। আমদানি করা চিনির পুরোবাজার বেসরকারি উদ্যোক্তাদের নিয়ন্ত্রণে। ফলে ১০ শতাংশের নিয়ন্ত্রক বিএসএফআইসি পণ্যটির দাম বাড়ালে সুবিধা নেয় ৯০ শতাংশের নিয়ন্ত্রণকারক আমদানিকারীরা। দেশে প্রতি বছর ১৫ লাখ টন চিনির চাহিদা রয়েছে। এর বিপরীতে উৎপাদন হয় প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার টন চিনি। গ্রীষ্ম ও রোজার মাসে সবচেয়ে বেশি চিনি বিক্রি হয়। বিশ্ববাজারে দাম কম থাকলেও এ সময় মুষ্টিমেয় কয়েকটি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কৃত্রিম সরবরাহ সঙ্কটে চিনির বাজার লাগামহীন হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় চাহিদা মৌসুমের আগে করপোরেশন দাম বাড়ানোর ফলে দেশের চিনির বাজার ফের অস্থির হয়ে পড়ছে। দীর্ঘদিনই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার চিনির কেজিপ্রতি ডিলার মূল্য ছিল ৫০ টাকা। কয়েক মাস আগে ডিলারদের চিনির দাম কেজিপ্রতি ৫ টাকা বাড়িয়ে ৫৫ টাকা করা হয়। সর্বশেষ জানুয়ারির শেষ দিকে চিনির কেজিপ্রতি মূল্য আরো ৫ টাকা বাড়িয়ে ৬০ করা হয়। এরপর থেকেই দেশে বেসরকারি খাতের চিনির দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে। যদিও বিশ্ববাজারে চিনির দাম এখনো সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রতি কেজি চিনির বুকিং মূল্য ছিল ২৯ সেন্ট। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরেও চিনির দাম ছিল ৩০ সেন্ট। আগামী মার্চে সরবরাহযোগ্য চিনির বুকিং দাম হচ্ছে প্রতি পাউন্ড ১৫ দশমিক ৭৮ সেন্ট।

বিএসএফআইসির প্রধান বিপণন কর্মকর্তা এএসএম মুতিউল্লাহ গণমাধ্যমকে জানান, দেশের চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণে কাজ করে করপোরেশন। উৎপাদন খরচ ও দেশীয় বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে দাম নির্ধারণ করা হয়। আসন্ন চাহিদা মৌসুম সামনে রেখে দাম কিছুটা বাড়ানো হয়েছে।

এমআই



মন্তব্য