ঢাকা - জানুয়ারি ২৭, ২০২০ : ১৩ মাঘ, ১৪২৬

নিত্যপণ্যের দাম চড়া, চোখে শর্ষে ফুল দেখছেন সাধারণ মানুষ

নিউজ ডেস্ক
ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯ ১১:৪৯
১৩৩ বার পঠিত

লাফিয়ে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। হঠাৎ করেই দাম বেড়েছে চাল, আটা-ময়দা, আদা, রসুন ও শুকনা মরিচের। চড়া তেল ও সবজির দাম ।এ পরিস্থিতিতে গোটা মাস পার করা নিয়ে চোখে শর্ষে ফুল দেখছেন নির্ধারিত আয়ের সাধারণ মানুষ।

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় প্রতিকেজি পেঁয়াজ দেশি ২৪০-২৫০, নতুন পেঁয়াজ ১৫০, মিয়ানমারের পেঁয়াজ ২০-২১০, মিসরের পেঁয়াজ ১৫০-১৬০, চীনের (আমদানি করা) পেঁয়াজ ১৩০ টাকায় কিক্রি হয়েছে। পেঁয়াজের পাতাই বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ১০০ টাকা। কয়েকদিন আগের তুলনায় কেজিতে ৫-১০ টাকা বেড়েছে চালের দাম। ৪২-৪৪ টাকার মিনিকেট ৪৮-৫০ টাকা, ৪৪-৪৮ টাকার নাজিরশাইল ৫৫-৫৮ টাকা, ৩৪-৩৫ টাকার বিআর-২৮চাল ৩৮- ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।মোটা চালের মধ্যে স্বর্ণা বিক্রি হচ্ছে ৩৮ টাকায়। আগে এর দাম ছিল প্রতিকেজি ৩২-৩৩ টাকা।

এদিকে, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়। এক মাস আগেও এর দাম ছিলো ৭৮ থেকে ৮০ টাকা। পাম অয়েল লিটারে ৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। পর্যাপ্ত আমদানি থাকার পরও দাম চড়া শীতকালীন সবজির। প্রতিকেজি বেগুন ৬০-৮০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, আধাপাকা টমেটো ১২০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৮০ টাকা, শিম ৬০ -৮০ টাকা, ফুলকপি ৩০ -৬০ টাকা, পাতাকপি ৪০-৬০ টাকা, নতুন আলু ৮০ -১০০ টাকা, ধনেপাতা ১৮০-২০০ টাকা, মুলার ৬০ টাকা, গাজর ৮০-১০০ টাকা, শালগম ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবুজ বরবটি ৬০ টাকা, লাল বরবটি ৯০ টাকা, প্রতি পিস লাউ ৬০-৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা. ঢেঁড়স ৬০ টাকা, কচুরলতি ৬০ টাকা ও ধুন্দল ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা জানাচ্ছেন, প্রতিদিনই কোনো না কোনো পণ্যের দাম বাড়ছে। হঠাৎ দাম বাড়লে কেউ উচ্চবাচ্য করে না। নিত্য প্রয়োজনীয় প্রতিটি পণ্যের দাম বেড়েছে। কোন পণ্যের মূল্যই স্বাভাবিক নাই। এ অবস্থায় সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে। ক্রেতাদের অভিযেোগ, বাজার নিয়ন্ত্রণে আন্তরিকতার ঘাটতি আছে সরকারের একাধিক সংস্থাগুলোর। এ সুযোগটাই কাজে লাগাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। নিজেদের ইচ্ছা মতো দাম বাড়াচ্ছেন।

বাংলাদেশ২৪অনলাইন/এমআই



মন্তব্য