ঢাকা - নভেম্বর ১৫, ২০১৯ : ১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬

পুষ্টিগুণে ঠাসা পালংশাক

নিউজ ডেস্ক
নভেম্বর ০১, ২০১৯ ১৭:৫৪
৯০ বার পঠিত

বাজার জুড়ে আসতে শুরু করেছে শীতের সবজি। ফুলকপি আর মুলা তো এখন পুরো বছরজুড়েই পাওয়া যায়। তবে যতই সারাবছর শীতের সবজি পাওয়া যাক না কেন শীতের সবজির মজা শীতেই।

শীতের সবজিগুলোর মধ্যে পালং জনপ্রিয় একটি হলো পালংশাক। এটি খেতে যেমন সুস্বাদু পুষ্টিগুণেও তেমনি সমৃদ্ধ। মিনারেল, ভিটামিন, ফাইটো নিউট্রিয়েন্টস থেকে শুরু করে পিগমেন্টস সব কিছুই আছে এতে। তাই তো পালংশাককে সুপার ফুডও বলা হয়।

আসুন জেনে নেওয়া যাক পালংশাকের কিছু পুষ্টিগুণ সম্পর্কে:

১. চোখের শুষ্কতা দূর করতে ও চোখের আলসার সারাতে পালংশাক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চোখের ফোলাভাব কমাতেও সাহায্য করে পালংশাক।

২. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে পালংশাকের জুড়ি মেলাভার। উচ্চ পরিমাণে পটাশিয়াম ও অত্যন্ত সামান্য পরিমাণ সোডিয়াম আছে পালংশাক-এ। এ ছাড়াও উপস্থিত ফোলেট হাইপারটেনশন কমায় ও রক্ত জালিকাকে রিল্যাক্স করে।

৩. পালংশাক-এ উপস্থিত টোকোফেরল, ফোলেট ও ক্লোরোফাইলিন ক্যানসারের চিকিৎসায় অত্যন্ত কার্যকরী। ব্লাডার, প্রস্টেট, লিভার ও ফুসফুসের ক্যানসারের প্রতিরোধে ও চিকিৎসায় পালংশাক-এর ভূমিকা প্রমাণিত।

৪. বিভিন্ন ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস ও পিগমেন্টের উপস্থিতি ত্বককে ক্ষতিকর অতিবেগুণি রশ্মির হাত থেকে সুরক্ষা দেয় এবং ত্বকের ক্যানসারের প্রতিরোধ হিসেবেও কাজ করে এটি।

৫. ডায়াবেটিক প্রতিরোধে এর রয়েছে অসাধারণ ভূমিকা। শরীরে ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়িয়ে দেয় এ সবজি।

৬. শীতকালে এ্যাজমার সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করে। পালংশাকে এমন কিছু পুষ্টিকর পদার্থ আছে যা অ্যাজমা প্রতিরোধে সাহায্য করে। তার মধ্যে একটি হলো বিটা ক্যারটিন।

৭. ফাইবার এবং প্রচুর পরিমাণে জল আছে পালংশাকে। যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে এবং ডাইজেস্টিভ ট্র্যাক-কে সুস্থ রাখে।

৮. পালংশাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন কে থাকে। যা মজবুত হাড়ের গঠনের সহায়তা করে।



মন্তব্য