ঢাকা - নভেম্বর ১৫, ২০১৯ : ১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬

ই-পাসপোর্টের সুবিধা

নিউজ ডেস্ক
নভেম্বর ০১, ২০১৯ ১২:০৩
২০২ বার পঠিত

আগামী ২৮ নভেম্বর থেকে ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট চালু হবে। সম্প্রতি ইউরোপ সফরে জার্মানির প্রতিষ্ঠান ভেরিডোস জেএমবিএইচের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ কক্ষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।

ই-পাসপোর্ট ব্যবস্থায় উত্তরণ ঘটলে বাংলাদেশিরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঝামেলাবিহীনভাবে ভ্রমণ করতে পারবেন। ই-পাসপোর্টে থাকবে যেসব সুবিধা-

১.ই-পাসপোর্টের মেয়াদ থাকবে ১০ বছর। এতে প্রবাসীদের সুবিধা হবে। কারণ, তারা অভিযোগ করেছেন, পাসপোর্ট নবায়ন করতে নানা ধরনের ঝামেলা পোহাতে হয়।

২.ই-পাসপোর্ট এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে বিদ্যমান বইয়ের সঙ্গে একটি ডিজিটাল পাতা (ডাটা পেজ) জুড়ে দেয়া হবে। ওই ডিজিটাল পাতায় উন্নতমানের মেশিন রিডেবল চিপ বসানো থাকবে। এতে সংরক্ষিত থাকবে পাসপোর্টধারীর সব তথ্য।

৩. ডাটা পেজে থাকবে পাসপোর্টধারীর তিন ধরনের ছবি, ১০ আঙ্গুলের ছাপ ও চোখের আইরিশও। ভ্রমণকালে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ কম্পিউটারের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে পাসপোর্টধারীর সব তথ্য-উপাত্ত জানতে পারবেন। সবচেয়ে বড় সুবিধা হল বিভিন্ন বিমানবন্দরে ভিসা চেকিংয়ের জন্য।

৪. প্রথম পর্যায়ে প্রধান কার্যালয়সহ ঢাকার তিনটি আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে ই-পাসপোর্ট প্রদান করা হবে। এরপর সারা দেশে ও পরে বিদেশ থেকেও ই-পাসপোর্ট দেয়া হবে।

৫. সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো বিভিন্ন বিমানবন্দরে ভিসা চেকিংয়ের জন্য লাইনে দাঁড়াতে হবে না। ঝামেলাহীনভাবে ই-গেট ব্যবহার করে দ্রুততম সময়ে ইমিগ্রেশনের কাজ শেষ করা যাবে।

৬. সম্প্রতি মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে এ ধরনের কয়েকটি জাল এমআরপি ধরাও পড়েছে। বিদ্যমান এমআরপিতে ৩৮টি নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য থাকলেও এর বেশিরভাগই জাল করা সম্ভব হচ্ছে। কিন্তু ই-পাসপোর্ট বইয়ের পলিকার্বোনেট ডেটা পেজ জাল করা সম্ভব হবে না। এ ছাড়া ই-পাসপোর্টে থাকছে ৪২টি নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য।



মন্তব্য