ঢাকা - ডিসেম্বর ০৯, ২০১৯ : ২৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬

দুর্নীতি-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স

নিউজ ডেস্ক
অক্টোবর ২৩, ২০১৯ ০৬:৩৩
৭১ বার পঠিত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তৃতীয়বার দায়িত্ব গ্রহণের পর দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স অবস্থান নিয়েছেন। ২০০৯ সাল থেকে বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অভ‚তপূর্ব ও অসাধারণ সাফল্য অর্জন শুরু করে। তথাকথিত তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বাংলাদেশ এখন বিস্ময়কর উন্নয়নের দেশে পরিণত হয়েছে।

মঙ্গলবার মরক্কোর প্রাচীন রাজধানী মারাকাসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বিচার সম্মেলনে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এ সব কথা বলেন। জাস্টিস অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট: চ্যালেঞ্জ অ্যান্ড স্টেকস প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দু'দিনব্যাপী (২১ ও ২২ অক্টোবর) এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

আইনমন্ত্রী বলেন, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক আউটলুক-২০১৯ বাংলাদেশকে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হিসেবে উল্লেখ করেছে। এইচএসবিসি ২০১৮ সালের প্রতিবেদনে ভবিষ্যদ্বাণী করেছে, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। বিশ্বের তিনটি দ্রুততম অর্থনীতির দেশের একটি হয়ে উঠবে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে রূপান্তর করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ। ২০২১ সালের লক্ষ্য অর্জন করতে বাংলাদেশকে জিডিপির বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার ১০ শতাংশ অর্জন এবং তা বজায় রাখতে হবে। দারিদ্র্যসীমা ও বেকারত্বের হারকে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, কর্মসংস্থানে কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের অবদানকে যথাক্রমে ৩০ শতাংশ, ২৫ শতাংশ এবং ৪৫ শতাংশে রূপান্তর করতে হবে। এ সব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সে জন্য সরকার বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।

তিনি বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ সহজতর করার লক্ষে বাংলাদেশে ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) চালু করা হয়েছে। এটি মূলত একটি ওয়েবভিত্তিক পোর্টাল যা কোনো বিনিয়োগকারী বিশ্বের যে কোনো জায়গা থেকে অ্যাক্সেস করতে পারে। এখন পর্যন্ত ১৫টি ক্লায়েন্ট পরিসেবা এই অনলাইনে চালু করা হয়েছে। আগামীতে ওএসএস ব্যবস্থায় ১৫০টি পরিসেবা অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

আনিসুল হক বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্রুত বর্ধমান অর্থনীতির দেশ। এটি ১৬০ মিলিয়ন জনসংখ্যার বাজার এবং তাদের ক্রয় ক্ষমতা দিন দিন বাড়ছে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে উৎপাদনের উপকরণগুলোর দাম সস্তা। বাংলাদেশ ইউরোপীয়, কানাডিয়ান, অস্ট্রেলিয়ান এবং জাপানি বাজারগুলোতে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার ভোগ করে।



মন্তব্য