ঢাকা - নভেম্বর ২০, ২০১৯ : ৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬

স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানোর উপায়

নিউজ ডেস্ক
অক্টোবর ১৬, ২০১৯ ১০:৩৩
১৯৪ বার পঠিত

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে সব ধরনের ক্যান্সারের মধ্যে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। আর এতে মৃত্যুও ঘটছে অনেক, কারণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই রোগীরা প্রায় শেষ পর্যায়ে এসে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

এজন্য অবশ্য সংকোচ এবং অসচেতনতাকেই দায়ী করা হয়ে থাকে। অথচ প্রাথমিক অবস্থায় নির্নয় করা গেলে স্তন ক্যান্সারে মৃত্যুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব, যেমনটা বিবিসিকে বলছিলেন স্তন ক্যান্সার থেকে সেরে ওঠা ইয়াসমীন রাব্বানী।

ইয়াসমীন রাব্বানী বলেন, ২০১৬ সালের অক্টোবরের দিকে গোসল করার সময় একটি বেস্টে কিছু একটা টের পেলাম। ডক্টরের কাছে গেলাম। উনারা বললেন তেমন কিছু নয় যেটি আছে তা বের করে ফেললেই হবে। ক্যান্সার ধরা পড়ার আগেই যখন বলা হরো যে একটি বেস্ট তোমার ফেলে দেয়া হবে। আমি নিজের জন্য না এটার ভেতরে হাজবেন্ড কতটা সন্তুষ্ট হবেন। কিন্তু যখন দেখলাম এটা তার কাছে উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করে নাই। তাহলেতো এটা করাই যায়। ভালো অপারেশন হয়ে গেল। আমি হাসতে হাসতেই গেলাম। খুলতেই দেখি প্রত্যেকটা সেলাইয়ের জায়গা পেঁকে গেছে। ডাক্তার বললেন এটাতো পাঁকার কথা না। চারদিন পর রিপোর্ট আসল। সেই রিপোর্টে ধরা পড়লো আমার শরীরে ক্যান্সার বহন করছি।

তিনি বলেন, কেমো আরম্ভ করলাম। কেমো সম্পর্কে মানুষের যে ভীতি রয়েছে, আমি মনে করি এটা তেমন ভীতিকর কিছু না। স্বামী সন্তানের পাশাপাশি নিজের শরীর নিয়েও নারীদের চিন্তা করা উচিৎ। অথচ নিজের শরীর নিয়ে নারীরা কখনো ভাবে না।

আন্তর্জাতিক সংস্থা আইএআরসির হিসেবে বাংলাদেশে প্রতিবছর ১২৭৬৪ জন নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। মারা যায় ৬৮৪৪ জন। ক্যান্সার নিরব ঘাতক। এটা একদিনে ধরা পড়ে না। মৃত্যুর কাছাকাছি যেয়ে টের পাওয়া যায়।

বিবিসি



মন্তব্য